• ২১শে জুন, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ , ৭ই আষাঢ়, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

অভিযানে রফাদফা রাঙ্গাবালীতে জেলেদের ছেড়ে দিল পুলিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত জুন ২৬, ২০২২, ০৯:১৫ পূর্বাহ্ণ

সঞ্জিব দাস, গলাচিপা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি
ঘটনা শুক্রবার রাতের। অভিযান চালিয়ে দুই ট্রলারসহ জেলে আটক করে নৌ-পুলিশ। পরে মাঝ নদীতে দুই ঘণ্টা অবস্থান করে তারা। এর মাঝে হয় রফাদফা। পরে ট্রলারসহ ছেড়ে দেওয়া হয় জেলেদের। ঘটনাটি ঘটেছে রাঙ্গাবালী উপজেলার আগুনমুখা নদী সংলগ্ন কোড়ালিয়া ঘাট এলাকায়।
স্থানীয় জেলে ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার আগুনমুখা নদী সংলগ্ন কোড়ালিয়া ঘাট এলাকায় মৎস্য অভিযান চালায় নৌ-পুলিশ। পায়রা বন্দর নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইন্সপেক্টর মোমেনুরের (মমিন) নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় কোড়ালিয়া ঘাটে থাকা সুমন জোমাদ্দার ও রাজু হাওলাদারের জেলে ট্রলারে অভিযান চালানো হয়। আটক করা হয় কয়েকজন জেলেকে। উপস্থিত কয়েকজনের কেউ বলছে, আটক করা হয় পাঁচজনকে। কেউ বলছে, আটক করা হয় ১১ জনকে। জেলেদের হ্যান্ডকাপও পড়ানো হয় বলে জানান এক প্রত্যক্ষদর্শী জেলে ট্রলার মালিক। ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকা কয়েকজন জানান, আনুমানিক সাড়ে ১০টা থেকে সাড়ে ১২টা পর্যন্ত কোড়ালিয়া ঘাটে অবস্থান করে নৌ-পুলিশের টিম। এর মাঝে দুই মৎস্য আড়তের তালা ভাঙতেও চান তারা। পরে কাওসার নামের স্থানীয় এক মৎস্য ব্যবসায়ী মধ্যস্থতায় নৌ-পুলিশের সঙ্গে হয় রফাদফা। ছেড়ে দেওয়া হয় ট্রলারসহ আটক হওয়া জেলেদের। পায়রা বন্দর নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মোমেনুর (মমিন) বলেন, ‘অভিযানে আসছিলাম। জেলে তো ধরতে পারি নাই। ওরা যে আড়তে দিছিল, ওই আড়তে গেছিলাম, বন্ধ পাইছি। পরে মৎস্য অফিসারকে ফোন দিলাম, উনি ফোন রিসিভ করেন নাই। আর নৌকায় যারা ছিল, ওরা এই ফাঁকে চলে গেছে।’ রফাদফার বিষয় জানতে চাইলে বলেন, ‘এরকম কোনো তথ্য নেই।’ এ ব্যাপারে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম বাবুল বলেন, ‘আমরা অনেকবার বলেছি অভিযানের আগে আমাদের জানান অথবা আমাদের সঙ্গে নিন।তারা আমাদের নেইনি।