হিজলা প্রতিনিধিঃ বরিশালের হিজলা উপজেলায় সালিশির নামে ইউপি সদস্য হুকুমে মা ও মেয়েকে মারধর করার অভিযোগ উঠেছে।আহত মা কহিনুর বেগম (৪০)ও মেয়ে রুবিনা বেগম(১৪) হিজলা স্বাস্থ্যেকমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।জানা যায় উপজেলার বরজালিয়া ইউনিয়নের খুন্না গোবিন্দ্রপুর গ্রামের বাস্তহারা শনিবার রাত ৮ টার সময় এ ঘটনা ঘটে।হাসপাতালে চিকিৎসাধীন কহিনুর বেগম জানায় তার স্বামী শুকুর রাড়ি অন্য মেয়ের সাথে পরকীয়ায় আসক্ত।এ বিষয়টি জানা পরে একাধিক বার স্বামীকে পরকীয়া থেকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টায় ব্যর্থ হয়।এ ঘটনায় স্ত্রী কহিনুর বেগম স্বামীর বিরুদ্ধে হিজলা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করে।পরে স্থানীয় ইউপি সদস্য ঝন্টু বেপারী সালিশ করতে গিয়ে বলে থানায় অভিযোগ কেনো দিয়েছি। তাই ইউপি সদস্যের উপস্তিতিতে ছাত্তার গাজীর নেতৃত্বে পরকীয় প্রেমিকের ভাই সহ ৭/৮ জন মিলে আমাকে ও আমার মেয়েকে এলোপাতাড়ী মারপিট করে।মা ও মেয়েকে মারপিটের প্রত্যক্ষদর্শী আমছার আলী কাজী বলেন ঘটনাটি খুবই দুংখজনক।আমি বাধা দিতে গেলে আমাকে মারপিট করে।মা মেয়েকে মারধর ইউপি সদস্য মদদে হয়েছে।ইউপি সদস্য ঝন্টু বেপারীর মোবাইল ফোন বন্ধ রয়েছে তাকে একাধিক বার ফোন দিয়ে পাওয়া যায়নি।হিজলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ ইউনুস মিয়া বলেন গতকাল মা মেয়েকে মারধরের সংবাদ পেয়ে হাসপাতালে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মেয়ে মা আইনগত ব্যবস্থা চাইলে আইনি সহয়তা দেওয়া হবে।