• ২১শে জুন, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ , ৭ই আষাঢ়, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

হিজলায় মা মেয়েকে নির্যাতনের ৫ দিন অতিবাহিত হলেও মামলা নেয়নি হিজলা থানার পুলিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত জুলাই ২০, ২০২২, ১৫:২৯ অপরাহ্ণ

হিজলা প্রতিনিধি।। বরিশালের হিজলা উপজেলার সদর বড়জালিয়া ইউনিয়নের খুন্না গোবিন্দপুর গ্রামের বাস্তুহারা এলাকায় গত ১৬ জুলাই রাত আটটার দিকে শুক্কুর রাড়ীর স্ত্রী কহিনুর(৪০) ও তার মেয়ে মাদ্রাসায় সপ্তম শ্রেণীতে পড়–য়া ছাত্রী রুবিনা (১৪)কে শীলনতা হানির এক পর্যায়ে মারধর করে হাতের কব্জি ভেঙ্গে দেয়।
ঘটনাস্থলে গিয়ে জানা যায় শুক্কুর রাড়ীর পরক্রীয়ায় বাধা প্রদান করে তার স্ত্রী কহিনুর বেগম। বাধা উপো করে শুক্কুর রাড়ী দিন দিনই পরকীয়ায় আসক্ত হচ্ছে। একপর্যায়ে স্ত্রী কহিনুর হিজলা থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করে। ওই ঘটনায় স্থানীয় ইউপি সদস্য ঝন্টু বেপারী ও তার দলবল শুক্কুরের বাড়ি গিয়েও তার স্ত্রীকে হুমকি দিয়ে বলে কেনো থানায় দরখাস্ত করছো।
এ কথা বলার সাথে সাথে ইউপি সদস্য ঝন্টু ব্যাপারী সাথে যাওয়া সাত্তার গাজী, মামুন, বাখের হাওলাদার সহ ৮/১০জনে মাদ্রাসায় পড়–য়া ছাত্রী রুবিনার চুলে ধরে মাটিতে টেনে হেচরে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে তখন রুবিনার হাতের কব্জি ফেটে যায় তখন মা মেয়েকে উদ্ধার করতে গিয়ে তিনিও তাদের মারধরের শিকার হয়। অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকা মা-মেয়েকে স্থানীয়রা হিজলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে করে তারা এখনো চিকিৎসাধীন রয়েছে।
আহত কহিনুর বেগম জানায় ইউপি সদস্যের উপস্থিতিতে ছাত্তার গাজীর নেতৃত্বে পরকীয় প্রেমিকের ভাই সহ ৮/১০ জন মিলে আমাকে ও আমার মেয়েকে এলোপাতাড়ী মারপিট করে। মা ও মেয়েকে মারপিটের প্রত্যদর্শী আমছার আলী কাজী বলেন, ঘটনাটি খুবই দুংখজনক। আমি বাধা দিতে গেলে আমাকেও মারপিট করে। মা মেয়েকে মারধর ইউপি সদস্য মদদে হয়েছে।
ইউপি সদস্য ঝন্টু বেপারীর মোবাইল ফোন বন্ধ রয়েছে তাকে একাধিক বার ফোন দিয়ে পাওয়া যায়নি।
বড়জালিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এনায়েত হোসেন হাওলাদার এই নেক্কার জনক ঘটনার দুঃখ প্রকাশ করে বলেন তুচ্ছ ঘটনা হিজলা থানায় মামলা হয় অথচ একটি মেয়ের হাত ভেঙে দিয়েছে সেখানে মামলা হচ্ছে না।
হিজলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ ইউনুস মিয়া বলেন ঘটনারদিন মা মেয়েকে মারধরের সংবাদ পেয়ে হাসপাতালে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।
এখনো মামলা হয়নি কেন এমন প্রশ্নের জ্ববাবে ওসি ইউনুস মিয়া বলেন তেইশের ঘটনায় কি মামলা হবে।