মির্জাগঞ্জ (পটুয়াখালী)প্রতিনিধিঃ
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে সালিশ বৈঠকে এক নারীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে উপজেলার মির্জাগঞ্জ ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য সরোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে।শনিবার সন্ধ্যা ৭টায় উপজেলার মির্জাগঞ্জ ইউনিয়নের দক্ষিণ ঘটেকের আন্দুয়া গ্রামের মাঝি বাড়িতে ঘটনাটি ঘটে। ওই নারী ঘটেকের আন্দুয়া গ্রামের নয়ন মাঝির স্ত্রী সুমনা(৪০)। আহত ওই নারী বর্তমানে মিজার্গঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন আছেন।
আহত নারীর স্বামী নয়ন মাঝি অভিযোগে জানান,একই বাড়ির চাচাতো ভাই সোহরাব মাঝির সাথে আমার পারিবারিক দ্বন্দ চলছিলো। দ্বন্দ মিমাংসা করার জন্য বাড়িতে এসে সালিশ বৈঠক বসান ইউপি সদস্য মো. সরোয়ার হোসেন। তিনি সালিশ বৈঠকের এক পর্যায়ে চাচাতো ভাই সোহরাব এর পক্ষ হয়ে আমার স্ত্রীকে মারধর করেন।একজন জনপ্রতিনিধি হয়ে যদি এমন কাজ করেন তবে আমাদের সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কোথায়।
প্রত্যক্ষদর্শী মো.শামীম জানান,সালিশ বৈঠকে নয়ন মাঝির স্ত্রী সুমনাকে প্রকাশ্যে ইউপি সদস্য সরোয়ার মারধর করেন। এমন ঘটনা দেখে আমরা এলাকাবাসী হতবাক।
এ ঘটনায় ইউপি সদস্য মো.সরোয়ার হোসেন বলেন,‘ ওই সালিশ বৈঠকে দুইপক্ষ আমার কথা না শোনায় আমি রাগ করে চলে আসতে চাইলে নয়নের স্ত্রী আমাকে বাঁধা দিলে আমি সামান্য ধাক্কা দিয়েছি,তখন তিনি পড়ে যান। তবে মারধর করিনি।
এ বিষয় মির্জাগঞ্জ থানা (ওসি) মো.আনোয়ার হোসেন তালুকদার বলেন,‘বিষয়টি আমি শুনেছি,তবে কোন লিখিত অভিযোগ পাইনি, অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।