মির্জাগঞ্জ (পটুয়াখালী) প্রতিনিধিঃ মির্জাগঞ্জে উপজেলা প্রকৌশলী(এলজিইডি) মো.আশিকুর রহমানের বিরুদ্ধে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ক্ষুদ্র মেরামত প্রকল্পের বিল উত্তোলনে প্রত্যয়ন বানিজ্যের মাধ্যমে অর্থ উৎকোচের অভিযোগ পাওয়া গেছে।বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান প্রধানদের অভিযোগ একই দপ্তরের চারজন উপ-সহকারি প্রকৌশলীর যোগসাজেসে প্রত্যয়ন বানিজ্যের মাধ্যমে অর্থ আত্নসাত করেন উপজেলা প্রকৌশলী আশিকুর রহমান।
জানা যায়, ২০২১- ২০২২ অর্থ বছরে উপজেলার ১৪২ টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৪৬টি বিদ্যালয়ে ক্ষুদ্র মেরামত বাবদ বিদ্যালয় প্রতি ২ লাখ টাকা করে মোট ৯২ লাখ টাকার বরাদ্দ দেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রনালয়।
বরাদ্দকৃত বিদ্যালয় গুলোর কাজের প্ল্যান ও কাজ সঠিকভাবে বাস্তবায়নের তদারকির দায়িত্বে ছিলেন মির্জাগঞ্জ উপজেলা এলজিইডি অফিস। একাজ বাস্তবায়নের পরে বিল উত্তোলনে উপজেলা প্রকৌশলীর কাজ সঠিক হয়েছে এই মর্মে প্রত্যয়নের প্রয়োজন হয়। আর সেই প্রত্যয়ন পেতেই উপজেলা প্রকৌশলী বিদ্যালয় প্রতি ৫ হাজার টাকা করে উৎকোচ গ্রহণ করেন।এভাবে ৪৬ টি বিদ্যালয় থেকে ৫ হাজার টাকা করে ২ লক্ষাধিক টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন প্রকৌশলী আশিকুর রহমান।
নাম প্রকাশ না করা শর্তে বেশ কয়েকটি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বলেন, বিদ্যালয়ের কাজ বাস্তবায়ন হয়েছে এমন একটি প্রত্যয়নে দিয়ে ৫ হাজার করে টাকা নিয়েছেন। টাকা না দিলে বিভিন্ন সমস্যা দেখিয়ে প্রত্যয়ন দিতে অস্বীকৃতি জানাতেন।বিল পেতে প্রত্যয়ন প্রয়োজন তাই আমাদের কে এক প্রকার জিম্মি করে টাকা আদায় করেছেন।
মির্জাগঞ্জ উপজেলা এলজিইডি’র উপ সহকারি প্রকৌশলী মো.দেলোয়ার হোসেন বলেন,’ আমরা কোন শিক্ষকের কাছ থেকে কোন ধরনের টাকা পয়সা গ্রহণ করিনি।
এ বিষয় উপজেলা প্রকৌশলী মো.আশিকুর রহমান বলেন,’ কোন বিদ্যালয়ের কাজের প্রত্যয়ন দিতে আমি কোন টাকা পয়সা গ্রহণ করিনি।কোন উপ সহকারি গ্রহণ করেছে কিনা আমার জানা নেই।
এ ব্যাপারে মির্জাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোসা.তানিয়া ফেরদৌস বলেন,’এই কাজ তদরকির জন্য আলাদা আলাদা দপ্তর রয়েছে। তারপরও লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।