আমরা দীর্ঘ দিন যাবৎ প্রত্যাক্ষ করছি
দেশ এমন পর্যায়ে গেছে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশের প্রত্যেকটি অঞ্চলে উন্নয়নের জোয়ার বইছে।
কিছু দিন পূর্বে পদ্মা সেতু উদ্বোধন হয়েছে, পদ্মা সেতু ছাড়াও উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন সাধিত হয়েছে দেশে। এ গুলো জনগণ স্বচক্ষেই দেখতেই পাচ্ছে। মূলত প্রধানমন্ত্রী চাইছেন উন্নতির চরম পর্যায়ে দেশকে এগিয়ে নিতে। বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাকে স্বার্থক ভাবে রুপায়িত করাই শেখ হাসিনার তার লক্ষ।
সেই জন্য তিনি দিন রাত প্ররিশ্রম করে যাচ্ছেন। যারা তার এই আন্দোলনে সহযোগি হওয়ার কথা, এই সোনার বাংলার স্বপ্নকে বাস্তবায়নের কিন্তু তাদের সে ভূমিকা! অন্যান্য এলাকায় প্রশ্নবিদ্ধ থাকলেও এখানে এর আকার মারাত্মক ধারণ করেছে!
গত দুই টার্মে এখানে আওয়ামী লীগের কোনো এমপি ছিলনা, কখনো জাতিয়পাটি আসে কখনো সৃর্য মার্কা আসে, এরা কি করে কোনো জবাবদেহি নেই। জনগণও জানেনা।
জনগণ কেউ যদি প্রতিবাদ করে কিংবা কেউ যদি জানতে চায় তাহলে তাকে দমিয়ে দেওয়ার একটা প্রচেষ্ঠা অব্যাহত থাকে।কথা গুলো বলেছেন, বিশ্বনাথ উপজেলা পরিষদের সাবেক একাধিক বারের চেয়ারম্যান ও সিলেট ২নং সংসদীয় আসনের সাবেক একাধিকবারের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মুহিবুর রহমান বিশ্বনাথ উপজেলা নাগরিক অধিকার বাস্তবায়ন কমিটির উদ্যোগে ৮ জুলাই সোমবার বিশ্বনাথ পুরান বাজারে এক মতবিনিময় সভায় বক্তব্যকালে উপরোক্ত কথা গুলো তিনি ব্যক্ত করেন।
এতে তিনি আরোও বলেন,আমরা অতীতেও জনগণের সাথে সম্পৃক্ত ছিলাম, ঘরে বসে থাকলেও কিছু কিছু লোক আমাদের বাসায় চলে আসে। তারা নিরবে নিভৃত্বে তাদের দুঃখ দুর্দশার কথা আমাদের কাছে বলে ফলে মাঝে মধ্যে প্রশাসনের সাথে যোগাযোগ করে কিছুটা প্রতিকারের চেষ্টা করি বেশি আগানো সম্ভব হয়না।
তিনি বলেন,প্রত্যেকটি ব্যপারেই
আমাদের প্রতিবন্দিকতায় পড়তে হয়।
যেমন করে আপনারা দেখেছেন, গত দুই বৎসর চাউলধনী হাওর নিয়ে যে, আন্দোলন করি বিশ্বনাথে একটি মাত্র এলাকা কেবল মাত্র ২৫টি গ্রাম সম্মেলিত আরোও ৪৬০ অথবা ৪৭০টি গ্রাম আছে বিশ্বনাথে। ২৫টি গ্রামের এই যে, দশা এটা বলার উপেক্ষা রাখেনা! এমনিতেও অন্যান্য গ্রাম গুলোতে অনেক ধরণের সমস্যায় বিরাজমান।
চাউলধনী হাওরে দুই বৎসর সংগ্রামের পর আমরা কৃতকার্য হয়েছি এভাবে যদি ব্যক্তি বিশেষে সংগ্রাম করতে থাকি তাহলে শত বৎসর লেগে যাবে প্রত্যোকটি এলাকা থেকে এই দুর্নীতি বাজদের উচ্চেদ করতে।
শিঘ্রই প্রয়োজন সামগ্রীক ভাবে গোটা বিশ্বনাথের সার্বিক পরিস্তৃিতির সোচ্চার কন্ঠ সৃষ্টি করাই হচ্ছে আজকের মতবিনিময় সভার প্রধান লক্ষ।
মুহিবুর রহমান বলেন, চাউলধনী হাওরের আন্দোলন করতে গিয়ে দেখেছি এখানে আমাদের প্রাণ প্রিয় নেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা যাদেরকে এখানে দলীয় সিংহাসনে বসায়েছেন তাদের স্বরুপ।
বিশ্বনাথ উপজেলার কিছু দলীয় নেতারা এবং বিশ্বনাথের সাবেক অসি দুর্নীতিবাজ শামীম মুসা মিলে আমাদেরকে দালাল আখ্যায়িত করার একটা প্রচেষ্ঠা চালানো হয়েছিল তখন আমরা একাধিকবার মন্ত্রী, ডিআইজি, এসপি, ডিসি সাহেবের সাথে যোগাযোগ করে ৬ মাসে বুঝাতে সক্ষম হয়েছি উধ্বর্তন কর্তৃপক্ষকে আমরা দালাল নই দুনীতি পরায়নদের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্হান।
একদিন ডিআইজি সাহেব সরাসরি চাউলধনী হাওরে এসে গেলেন এর পর থেকেই পট পরিবর্তন হয়েগেল। অসি শামীম মুসা ডিআইজি, এসপি ও ডিসি সাহেবকে বুঝালো ওরা সাইফুলের অংশে ভাগ বসাতে চায় সে জন্য তারা আন্দোলন করছে।
তিনি বলেন,বিশ্বনাথের রাস্হা ঘাটের বেহাল দশা! তাছাড়া বিশ্বনাথের উপজেলা ভূমি অফিস সহ একাধিক সরকারি প্রতিষ্ঠান বিশ্বনাথে আজ দুর্নীতির আখড়ায় পরিনত হয়েছে।
মুহিবুর রহমান বিশ্বনাথের সকল দুনীতির ও সকল দুনীতিবাজদের বিরুদ্ধে দুর্বার আন্দোলন সংগ্রাম গড়ে তলার, ঐক্যবদ্ধ ও প্রতিবাদী হওয়ার আহবান জানান বিশ্বনাথবাসীকে।
মতবিনিময় সভায় শেখ শহিদুল ইসলাম বলেন, বিশ্বনাথের দিকে তাকালে আজ খুবই হতাশ হতে হয়! সকল দিকেই দুর্নীতির সমারহ! দুর্নীতিবাজ প্রশাসন ও
দলীয় কিছু দুর্নীতিবাজ নেতাদের জন্য বিশ্বনাথ উন্নয়ন থেকে আজ বঞ্চিত। উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা চেয়ারম্যান মিলে তারা আইন শৃঙ্খলা বৈঠক করে কিন্তু আমাদেরকে কোনো কিছু বলতে দেয়না!
কোনো তথ্য জানতেগেলে বলে তথ্য অধিকার আইনে যান! তিনি বলেন, আওয়ামীলীগের কিছু নেতারা সরকার থেকে ত্রাণ এসেছিল কিন্তু ত্রাণ আসার পর
বলে এগুলো আমি নিজে দিচ্ছি! এই হচ্ছে
বিশ্বনাথের অবস্হা। তিনি এসবের বিরুদ্ধে
সোচ্চার কন্ঠে প্রতিবাদ করার আহবান জানান উপজেলাবাসীকে।
মতবিনিময় সভায় ৭জনকে বিশ্বনাথ উপজেলা নাগরিক অধিকার বাস্তবায়ন
কমিটির বিশেষ দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে
এরা হলেন, সাবেক বিশ্বনাথ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মুহিবুর রহমান,
শেখ শহিদুল ইসলাম, মনিকাঞ্চন চৌধুরী,
সাংবাদিক আব্দুল আহাদ, সমর বাবু, শেখ কাওসার ও আব্দুস সালাম।
এতে অন্যান্যের বক্তব্য রাখেন, বিশ্বনাথের বিয়াম ল্যাবরেটরী স্কলের অধ্যক্ষ মনিকাঞ্চন চৌধুরী, বিশ্বনাথ উপজেলা আওয়া মীলীগের সাবেক সাংস্কৃতিক সম্পাদক সমর কুমার দাস,
মোঃ নোয়াব আলী, আব্দুল হালিম শিকদার।
এতে উপস্হিত ছিলেন, মোঃ রহিম,
বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ ইন্তাজ আলী, শেখ মোঃ কাওছার, মোহাম্মদ পারভেজ, আব্দুস সালাম, মুজিবুর রহমান খাঁন, আতিক
মিয়া, মোঃ আবু তাহের ( সাগর) ফারুক আহমদ, রাজা মিয়া, মধু মিয়া,সাধু মিয়া, মোঃ রসু মিয়া, ছিদ্দিকুর রহমান,
মোঃ সাজ্জাদুর রহমান ফারুক আলী,
বিশ্বনাথ সাংবাদিক ক্লাবের আহবায়ক
মোঃ শাহিন উদ্দিন, এস এন বি পরিচালক
এ কে এম তুহেম ও ডায়রেক্ট সিলেটের পরিচালক তৌফিকুর রহমান হাবিব।