স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জে টিসিবি ও পারিবারিক কার্ডধারী ৭ হাজার ২’শ পরিবারের মধ্যে ৩০ টাকা কেজি দরে ওএমএস-এর চাল বিতরণ কায্যক্রম শুরু হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার (০১ সেপ্টেম্বর) সকালে জেলা শহরের দু’টি কেন্দ্রে আনুষ্ঠানিকভাবে এ কায্যযক্রমের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক শাহিদা সুলতানা। এসময় জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক মাহাবুব আলী খান, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: মহসিন উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।
সরকারি ছুটির দিন ব্যতিত প্রতিদিন ২৫ জন ডিলারের মাধ্যমে ঘুরে ফিরে ৩৬ মেট্রিক টন চাল বিক্রি করা হবে। টিসিবি ও পারিবারিক কার্ডধারীরা প্রতি মাসে ২ বার ৫ কেজি করে চাল ক্রয় করতে পারবেন। প্রতিদিন গোপালগঞ্জ পৌরসভায় দুই হাজার, টুঙ্গিপাড়া পৌরসভায় এক হাজার ৬’শ, কোটালীপাড়া পৌরসভায় এক হাজার ৬’শ, মুকসুদপুর পৌরসভায় এক হাজার দুই’শ ও কাশিয়ানী সদর ইউনিয়নে ৮’শ পরিবারের মাঝে এই চাল বিক্রি করা হবে।
চাল নিতে আসা শহরের থানাপাড়ার বাসিন্দা রুপা বেগম বলেন, বাজারে মোটামুটি মানের চালের প্রতি কেজি দাম ৫০টাকা। স্বল্প আয় দিয়ে বাজার থকে চাল কেনা কষ্টসাধ্য আমাদের জন্য। এখানে ওই মানের চাল ৩০ টাকায় দিচ্ছে তাই এখান থেকে চাল কিনতে এসেছি।
গেটপাড়ার বাসিন্দা গৌরাঙ্গ বাইন বলেন, আমি দিনমজুরি করি। সারা দিনে যে আয় হয় তা দিয়ে বাজার থেকে চাল কেনা সম্ভব নয় আমার জন্য। এখানে ৩০টা দরে ৫ কেজি করে চাল দিচ্ছে তাই এখানে কিনতে এসেছি। কম দামে চাল পেয়ে ভাল লাগছে। প্রধানমন্ত্রীকে আমরা ধন্যবাদ জানাই।
জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক (ভারপ্রাপ্ত) শহীদুল্লাহ জানান, গোপালগঞ্জে পৌরসভায় ১২ জন, টুঙ্গিপাড়া পৌরসভায় ৪ জন, কোটালীপাড়া পৌরসভায় ৪ জন, মুকসুদপুর পৌরসভায় ৩ জন ও কাশিয়ানী সদর ইউনিয়নে ২ জন ডিলার রয়েছে। সে হিসেবে প্রতিদিন এসব পরিবারের কাছে ডিলার এই চাল বিক্রি করবেন।
জেলা প্রশাসক শাহিদা সুলতানা বলেন, চালের বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকার এই উদ্যোগ নিয়েছে। টিসিবির পাশাপাশি ওএমএস ও খাদ্যবান্ধব চাল কায্যক্রম চালু রয়েছে। কার্ডধারী যাদের চালের দারকার তারা এখান থেকে চাল ক্রয় করতে পারবেন। #