• ২১শে জুন, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ , ৭ই আষাঢ়, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রাবির মাদার বখ্শ হলে ‘হৃদয়ে বঙ্গবন্ধু’ কর্ণার উদ্বোধন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত সেপ্টেম্বর ৩, ২০২২, ১৫:২৭ অপরাহ্ণ
রাবির মাদার বখ্শ হলে ‘হৃদয়ে বঙ্গবন্ধু’ কর্ণার উদ্বোধন

রাবি প্রতিনিধি:৷ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) মাদার বখ্স হলে ‘হৃদয়ে বঙ্গবন্ধু’ কর্ণার ও ইনডোর গেমস এর শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। শনিবার বিকেল ৫ টায় কর্ণারটির উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম সাব্বির সাত্তার।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য ড. মো. সুলতান-উল-ইসলাম, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক আব্দুস সালাম, জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক অধ্যাপক ড.প্রদীপ কুমার পান্ডে,ছাত্র উপদেষ্টা তারেক নূর মামুন, হল প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. শামীম হোসেন, এবং অন্যান্য হলের প্রাধ্যক্ষবৃন্দ। উদ্বোধন শেষে উপাচার্য এবং অন্যান্য অতিথিবৃন্দ কর্ণাটির সংগ্রহ পরিদর্শন করেন।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধসহ পাঁচ শতাধিক বই এর সমাহারে ‘হৃদয়ে বঙ্গবন্ধু’ কর্ণারটির যাত্রা শুরু হয়।

‘হৃদয়ে বঙ্গবন্ধু’ও ইনডোর গেমস শুভ উদ্বোধন এবং ডা. রোকেয়া আবসার শিক্ষা বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম সাব্বির সাত্তার বলেন, প্রতিটি হলে এমন বঙ্গবন্ধু কর্নার রাখা দরকার। বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাই বঙ্গবন্ধু কে শুধু অধ্যায়ন করলেই হবে না, তাকে অন্তরে ধারণ করতে হবে। বাংলাদেশ ও বাঙালী জাতীয়তাবাদ বিকাশে বঙ্গবন্ধুর অবদান ছিল অবিস্মরণীয়।

এ বিষয় জানতে চাইলে মাদার বখ্স হল প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. শামীম হোসেন বলেন, বঙ্গবন্ধু কর্ণাটি আকারে ছোট হলেও এর বিশালত্ব অনেক। কর্ণাটির মাধ্যমে হলের আবাসিক শিক্ষার্থীরা বাংলাদেশ নামক একটি জাতি রাষ্ট্র গঠনে বঙ্গবন্ধুর অবদান ও মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস সম্পর্কে জানতে পারবে।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে জানার এখানে অনেক তথ্য-উপাত্ত পাওয়া যাবে। নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীরা এর মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত চিন্তা-ভাবনা সম্পর্কে সচ্ছ ধারণা পাবে। কর্ণারটিতে প্রায় ৫০০ বই রয়েছে। যার মাধ্যমে জাতির পিতাকে জানার সুযোগ আরও প্রসারিত হবে বলে জানান তিনি।

মাদার বখস হল কর্তৃত বিভিন্ন বিভাগ ও বর্ষের ৬ জন শিক্ষার্থীকে রোকেয়া আবসার শিক্ষা বৃত্তি প্রদান করা হয়। প্রতি বছর মেধাবী ও গরীব শিক্ষার্থীদের এ বৃত্তি প্রদান করা হবে বলে জানান হল প্রাধাক্ষ্য অধ্যাপক ড. শামীম হোসেন।