• ২৫শে জুন, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ , ১১ই আষাঢ়, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশের ফুটবলের পুনর্জাগরণসহ শক্তিশালী ফুটবল দল গঠনের লক্ষ্যে গোপালগঞ্জ ফুটবল স্টেডিয়াম পরিদর্শন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২২, ১১:০৪ পূর্বাহ্ণ
বাংলাদেশের ফুটবলের পুনর্জাগরণসহ শক্তিশালী ফুটবল দল গঠনের লক্ষ্যে গোপালগঞ্জ ফুটবল স্টেডিয়াম পরিদর্শন

স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ : বাংলাদেশের ফুটবলের পুনর্জাগরণসহ শক্তিশালী ফুটবল দল গঠনের লক্ষ্যে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ ও বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সমম্বয়ে গঠিত কমিটি গোপালগঞ্জ শেখ ফজলুল হক মনি ফুটবল স্টেডিয়াম পরিদর্শন করেছেন। বছরব্যাপী ফুটবল প্রতিযোগিতা আয়োজন, প্রশিক্ষণ প্রদান এবং বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনকে শক্তিশালীকরণ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় একাডেমির জন্য এ কর্মসূচী নেয়া হচ্ছে।

আজ বৃহস্পতিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব কে এম আলী রেজা এর নেতৃত্বে গঠিত প্রতিনিধি দলটি শেখ ফজলুল হক মনি স্টেডিয়ামের সুযোগ সুবিধা, আবাসন, জিমনেসিয়াম, সুইমিং সুবিধা, মাঠসহ বিভিন্ন অবকাঠামো পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন শেষে প্রতিনিধি দলটি জেলা প্রশাসক শাহিদা সুলতানা ও জেলার ক্রীড়া সংগঠকদের সাথে মতবিনিময় করেন।

এ সময় যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. আব্দুল মালেক, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সহকারী পরিচালক বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের কায্য নির্বাহী সদস্য মো: ইলয়াস হোসেন, সহকারী প্রজেক্ট ম্যানেজার মো: তানভীর আহমেদ সিদ্দিকী, গোপালগঞ্জ জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের সভাপতি জসিম উদ্দিন খসরুসহ স্থানীয় ক্রীড়া সংগঠকরা উপস্থিত ছিলেন।

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব কে এম আলী রেজা বলেন, দেশের ফুটবলের উন্নয়নের জন্য তথা বাফুফেকে শক্তিশালী করার জন্য যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় জাতীয় ক্রীড়া প‌রিষদের মাধ্যমে এক‌টি প্রকল্প গ্রহন করেছে। এ প্রকল্পের অাওতায় বেশ কয়েক‌টি ফুটবল একাডেমি প্রতিষ্ঠা করা হবে। সেই বিবেচনায় অামরা গোপালগঞ্জ শেখ ফজলুল হক মনি ফুটবল স্টেডিয়াম পরিদর্শন করলাম। এখানে কি কি অাছে অার কি কি নেই তার তালিকা তৈরী করছি।

তি‌নি অারো বলেন, এসব একাডেমিতে সারা বছর বাছাইকৃত ফুটবলারদের শ্রশিক্ষণ চলবে। অামরা চাচ্ছি দেশের খুব ভাল মানের কোচ কিংবা বাইরে থেকে কোচ এনে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে। এসব মেধাবীরা অাগামীতে জাতীয় দল থেকে শুরু করে অান্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের ফুটবলকে প্রতিনিধিত্ব করতে পারবে। এসব একাডেমিতে ১৫ থেকে ২০ বছর বয়সী খেলোয়াড়দের প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। অার প্রাথমিকভাবে এ প্রকল্পের মেয়াদ হবে ৫ বছর। ৫ বছর পর মূল্যায়ন করে পরবর্তি করণীয় নির্ধারণ করা হবে। #