সৈয়দ নূর-ই আলমঃ
বরগুনার বেতাগীতে বেশ কিছুদিন যাবৎ সরকারি চাল বিভিন্ন কোম্পানির বস্তায় প্যাকেটজাত করে বিক্রি করছিলো একটি চক্র।যার নেপথ্যে প্রধান হিসেবে কাজ করতেন বিমান বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সাব সার্জেন্ট ও বেতাগী খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ডিলার মনির হোসেন লাভলু।এমন সংবাদের পর বিভিন্নভাবে প্রমান জোগাতে অনুসন্ধান করায় রবিবার বিকাল ৪ টায় সংবাদ আসে বেতাগী খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ডিলার মনির হোসেন লাভলুর পৌরশহরের নিজ বাসার একটি বদ্ধ ঘরের মধ্যে বিভিন্ন নামীদামী ব্র্যান্ডের বস্তায় প্যাকেটজাত হচ্ছে সরকারি চাল। ক্যামেরায় ধারণ করা হয় সেই অভিনব প্রতারণার ভিডিও, যা সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল এখন। পরে জেলা প্রশাসক সহ উপজেলা প্রশাসনের নজরে আনলে শুরু হয় ভ্রাম্যমাণ অভিযান।
বিকাল ৫টায় নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও বেতাগী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ২ ঘন্টা অভিযান চালিয়ে সরকারি চালের বস্তা থেকে ব্র্যান্ডিং বস্তায় চাল প্যাকেটজাত করার প্রক্রিয়ার সত্যতা পান। এ সময়ে ওই ডিলার লাভলুর মজুদকরা ৩টনের অধিক(৩হাজার ২৭৫ কেজি) চাল যা ৮৯টি বস্তাভর্তি ছিলো তা জব্দ করেন নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট সুহৃদ সালেহীন। তবে ওই ব্যবসায়ী লাভলুর দাবী তিনি স্থানীয় ভাবে টিআর,কাবিখার চাল ক্রয় করেছেন। তবে প্রশাসনের তথ্যানুযায়ী ওই চাল ওএমএস কর্মসূচির।
ভ্রাম্যমাণ অভিযানের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও বেতাগী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো.সুহৃদ সালেহীন বলেন, জব্দকরা চাল সরকারি এতে সন্দেহ নেই।সরকারি চাল মজুদকারীদের কোন ছাড় দেয়া হবে না।এ ঘটনায় রেগুলার মামলা ও তদন্ত প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।