স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জে সুমন গাজীর বিরুদ্ধে র্যাব-১ এর দেয়া ষড়যন্ত্রমূলক মাদক মামলা প্রত্যাহার ও প্রকৃত দোষীদের শাস্তির দাবী সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা।
আজ সোমবার দুপুরে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম, জেলা কায্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ সংবাদ সম্মেলনে বিভিন্ন অভিযোগ এনে লিখিত পাঠ করেন বোন খাদিজা আক্তার। এসময় তার বোন লুবা বেগম, ভাই মো. বটু গাজী, উরফি ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান গাজী ইকবাল হোসেনসহ গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
খাদিজা আক্তার তার লিখিত বক্তব্যে বলেন , আমার ভাই ২০২১ সালে ফেব্রুয়ারী মাসে সচিবালয়ে গনপূর্ত বিভাগে ইলেকট্রিক পদে যোগদান করেন। ওই দপ্তরের তার ও ফ্যান চুরির ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থাকার বিষয়ে আইয়ূব আলির বিরুদ্ধে কর্তৃপক্ষে জানিয়ে দেওয়া নিয়ে বিরোধিতা শুরু হয় তার সাথে। ওই তথ্য সরবরাহের অভিযোগ এনে চলতি মাসের ১ তারিখে সুমনকে মারপিট করে আইয়ূব আলি ও তার ভাই বকুল মিয়া। এ বিষয়ে ওই দিন সুমন গাজী শাহাবাগ থানায় সাধারন ডায়রি করে (যাহার নং-২৭, তারিখ-১ সেপ্টেম্বর)। সাধারন ডায়রি করায় তারা সুমনের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে এবং ষড়ষন্ত্রে লিপ্ত হয়।
১৯ সেপ্টেম্বর বেলা ৪ টায় অফিস থেকে বাসায় ফেরার পথে র্যাব-১ এর সদস্যরা তাকে তুলে নিয়ে যায় উত্তরায় র্যাব-১ কার্যালায়। ওই দিন সুমননের মোবাইল ফোনে না পেয়ে পরিবারে লোক বিভিন্ন জায়গায় যোগাযোগ করে। কোথাও তার সন্ধান না পেয়ে ২০ সেপ্টেম্বর পল্টন মডেল থানায় নিখোঁজ সাধারন ডায়রি করে (যাহার নং-১৪২৫) ।
তিনি আরো বলেন, পরের জানতে পারে তার ভাই শাহাবাগ থানায় আছে। তার নামে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে দুই হাজার পিচ ইয়াবা বড়ি মামলা দিয়েছে। শাহাবাগ থানায় গিয়ে ভাইয়ের সাথে কথা বলে জানতে পারে ওই দিন বেলা ৪ টায় কয়েকজন লোক তাকে তুলে নিয়ে যায় পরে জানতে পারি তারা আইনশৃংখরা রক্ষাকারি বাহীনি। আমার ভাই কোনদিন ধূমপান বা কোন প্রকার নেশা জাতিয় দ্রব্য পান করে না।
খাদিজা আক্তার বলেন, আমার ভাই দোষী হলে শাস্তি পাক। যদি সে নির্দোষ হয় তাহলে তাকে এই মামলা থেকে রেহাই দেওয়া হোক। প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করে প্রকৃত অপরাধিদের আইনের আওতায় এনে শাস্তির জন্য আমরা প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করছি। #