সিয়াম রহমান হিমেল,মির্জাগঞ্জ (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম সুবিদখালী ছালেহিয়া আলিম মাদ্রাসার আরবি প্রভাষক মাওলানা আব্দুল মান্নান মুজাহেদী হত্যার দেড় বছরেও পাঁচ আসামি গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ নিহতের পরিবারের অভিযোগ। মামলার মূল আসামি গ্রেপ্তার না হওয়ায় শঙ্কায় রয়েছেন নিহতের ছেলে বাদী সাইদুল ইসলাম ও তাঁর পরিবার।
গ্রেপ্তার না হওয়া আসামীরা হলেন -মো. শিপন আকন, মো. সজল আকন, মো.শাওন আকন, মো. সাব্বির আকনও মো. রাব্বি আকন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানাযায়, ২০২১ সালের ৪ ফেব্রæয়ারী সকালে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে উপজেলার দেউলী গ্রামের নিজ বসত বাড়ির দরজায় একই বাড়ির প্রতিপক্ষরা মাওলানা আব্দুল মান্নানকে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে উপর্যপরি কুপিয়ে হত্যা করেন। ওই দিনই নিহতের ছেলে মো. সাইদুল ইসলাম বাদী হয়ে মির্জাগঞ্জ থানায় ১০ জনকে আসামি করে এব্যাপারে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে মামলাটি পটুয়াখালী পুলিশ সুপার তদন্তের জন্য জেলা গোয়েন্দা শাখায় (ডিবি) প্রেরণ করেন।
এ দিকে গত রবিবার মির্জাগঞ্জ উপজেলা জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক স্বপন কুমার দাস ওই মামলার ৩ আসামির জামিন আদেশ বাতিল করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদী পক্ষের অ্যাডভোকেট মো. শাহীন জামান।
জামিন বাতিলকৃত আসামিরা হলেন- মো. একরাম আলী, মোসা. ফিরোজা বেগম ও মোসা: রোকেয়া।
এ মামলার অন্য দুই আসামী মো. শহিদুল ইসলাম লিটন ও মো. কেতাব আলী আকনকে ঘটনার দিন পুলিশ গ্রেপ্তার করে। এর মধ্যে গ্রেপ্তারকৃত কেতাব আলী আকন উচ্চ আদালত থেকে জামিন রয়েছেন।
মামালার বাদী মো. সাইদুল ইসলাম বলেন,প্রকাশ্য দিবালোকে আমার পিতা মাওলানা আব্দুল মান্নানকে আসামিরা কুপিয়ে হত্যা করেছে। হত্যার দেড় বছরেও এজাহারভুক্ত আসামিদের মধ্যে ৫জনকে পুলিশ এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করতে পারেনি।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) উপ-পরিদর্শক সম্বিত রায় বলেন,এ হত্যা মামলায় সকল আসামিদের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে। আদালতে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র প্রদান করা হয়েছে। পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যহত রয়েছে।
#