নিউজ ডেস্ক ঃ
সিত্রাংয়ে এখন অবধি ৯ জনের মৃত্যু খবর এসেছে। এরমধ্যে কুমিল্লায় শিশুসন্তান ও তার বাবা-মাসহ ৩ জন, ভোলায় ২ জন এবং বরগুনা, নড়াইলে ১ জন করে এবং সিরাজগঞ্জে ২ জনে মৃত্যু হয়েছে। এদের ৭ জনই গাছ উপড়ে তার চাপায় মারা গেছেন। এছাড়া ঢাকা–খুলনা ও ঢাকা–বরিশাল এ দুটি মহাসড়কের ৮০ কিলোমিটার অংশে অন্তত ২৫টি স্থানে গাছ উপড়ে আছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। ফলে দুটি মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে দেশের বরিশাল, চট্টগ্রাম উপকূলসহ সারা দেশে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি শুরু হয়েছে। সোমবার সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত শুধু পটুয়াখালীর খেপুপাড়ায় ২৯৪ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে। এ ছাড়া বরিশালে ২৬১, পটুয়াখালীতে ২৫৩, মোংলায় ২১৯ ও খুলনায় ১৮৭ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে। রাজধানীতে সকাল থেকে সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত ১২৫ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়। এ ঝড়ের আরেকটি ব্যতিক্রমী আচরণ ছিল এর আঘাতের এলাকা নিয়ে। ১৯৮০ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে বাংলাদেশ উপকূলে যে কটি বড় ঘূর্ণিঝড় আঘাত করেছে, তার মধ্যে মাত্র দুটি ঝড়ের কেন্দ্রস্থল ছিল বরিশাল ও চট্টগ্রাম অঞ্চল। একটি ১৯৮৫ সালে ও আরেকটি ১৯৯১ সালে। ওই দুটি ঝড়ে বাতাসের গতির চেয়ে জলোচ্ছ্বাসের উচ্চতার কারণে ক্ষয়ক্ষতি বেশি হয়েছিল। এবারও বরিশাল-চট্টগ্রাম উপকূল দিয়ে ঘূর্ণিঝড়টি বাংলাদেশে আঘাত হেনেছে।