• ২৬শে জুন, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ , ১২ই আষাঢ়, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ধর্মপাশায় অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী গণধর্ষণে শিকার হওয়ার ঘটনার প্রতিবাদে মানববন্ধন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত নভেম্বর ১০, ২০২২, ১৪:১৬ অপরাহ্ণ
ধর্মপাশায় অষ্টম  শ্রেণির ছাত্রী গণধর্ষণে শিকার হওয়ার ঘটনার প্রতিবাদে মানববন্ধন

মোবারক হোসেন রুবেল ধর্মপাশা (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি:
সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণিতে পড়ুয়া এক স্কুল ছাত্রী (১৫)গণ ধর্ষণের শিকার হওয়ার ঘটনার প্রতিবাদে ও জড়িতদের গ্রেপ্তার এবং তাদেরকে দৃষ্টান্তমূলক সর্বোচ্চ শাস্তি প্রদানের দাবিতে আজ বৃহস্পতিবার বেলা দুইটার দিকে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলার পাইকুরাটি ইউনিয়নের বাদশাগঞ্জ পাবলিক বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বাদশাগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের সাবেক ও বর্তমান শিক্ষক-শিক্ষার্থী,বাদশাগঞ্জ পাবলিক বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও ছাত্রী এবং এলাকাবাসীর ব্যানারে এই মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, বাদশাগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের গভর্নিংবডির সদস্য খায়রুল বশর ঠাকুর খান, বাদশাগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের সহকারি অধ্যাপক হাফিজুর রহমান, বাদশাগঞ্জ পাবলিক বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলাম, বাদশাগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত শরীরচর্চা শিক্ষক আসাদুজ্জামান, বৌলাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হারুন অর রশিদ প্রমুখ।
এ ঘটনায় জড়িত সকল আসামিদের অবিলম্বে গ্রেফতার করে তাদেরকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদানের দাবি জানান। গত ২২অক্টোবর রাত আটটার দিকে ওই ছাত্রীটিকে তার নিজ বসতঘরের ভেতরে জোরপূর্বক ও ভয়ভীতি দেখিয়ে উপজেলার পাইকুরাটি ইউনিয়নের রাজাপুর গ্রামের বাসিন্দা এনামুল মিয়া (২১), সৈকত মিয়া (২০) ও উদয় মিয়া (১৯) ছাত্রীটিকে পালা করে ধর্ষণ করেন৷ আর একই গ্রামের দুর্জয় মিয়া (২০)ও রাহুল মিয়া (২১) ধর্ষণকারীদের সার্বিকভাবে সহায়তা করেন। গত ৫নভেম্বর সন্ধ্যায় ওই ছাত্রীটির বড় বোন তাঁর ফেসবুকে অজ্ঞাত আইডি থেকে তাঁর ছোট বোনকে ধর্ষণ করার একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার দৃশ্য দেখতে পান। পরে ৭নভেম্বর বিকেলে ছাত্রীটির বাবা বাদী হয়ে গণধর্ষণের ঘটনায় উপরোল্লিখিত ওই পাঁচজনকে আসামি করে থানায় একটি মামলা করেন। এদের মধ্যে সৈকত মিয়া (২০)কে গ্রেফতার করে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
ধর্মপাশা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাস্মদ মিজানুর রহমান বলেন,এই মামলায় একজন আসামিকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।অন্য আসামিরা পলাতক রয়েছে।তবে তাদেরকে গ্রেফতারের সর্বাত্মক চেষ্টা চলছে।