• ২১শে জুন, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ , ৭ই আষাঢ়, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

হিজলায় চোর যেখানে এস আই মনির সেখানে।

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত নভেম্বর ১৩, ২০২২, ১২:৩৩ অপরাহ্ণ
হিজলায় চোর যেখানে এস আই মনির সেখানে।

হিজলা প্রতিনিধিঃ বরিশালের হিজলা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত শিধল চুরি,ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে টিনের চাল কেটে চুরি,ভ্যান ও আটোগাড়ি ও ব্যাটারী চুরি সহ নানা ধরনের চুরি সংঘটিত হচ্ছে।

সাম্প্রতিক এ চুরির ঘটনায় যখন স্থানীয়রা চোর আটক করে থানায় সংবাদ দেয়।তখন তৎক্ষনিক সেখানে ছুটে যায় থানার উপপরিদর্শক মনিরুজ্জামান।সেখানে গিয়ে তিনি স্থানীয়দের কাছ থেকে চোরদের নিরাপদে নিয়ে যায়।সেখানে গিয়ে চোরদের পরিবারের সাথে রফাদফা করে ছাড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয় যারা চোর ধরেছে উল্টো তাদের বিরুদ্ধে মামলা দেওয়ার ভয়ভীতি দেখায়।

১৩ ই নভেম্বর সকাল ৮ টার সময় উপজেলার বরজালিয়া ইউনিয়নের হাসপাতাল মোড়ে রাসেল মটরস(আটো) গ্যারেজে ৭টি ব্যাটারী বিক্রি করতে নিয়ে যায় চোরচক্র।

তখন ব্যাটারীর মালিক কাজিরহাট থানার বিদ্যানন্দনপুর ইউনিয়নের চর মাদবরা গ্রামের ইসমাইল হাওলাদারের ছেলে সুলতান হাওলাদার ও চর খাজুরিয়া গ্রামের সেকান্দার হাওলাদারের ছেলে রিয়াজ হাওলাদার এ সংবাদ পায়।
সেখানে গিয়ে সুলতান হাওলাদার ও রিয়াজ হাওলাদার রাতে চুরি হওয়া তাদের ৭ টি ব্যাটারী সহ চোর সনাক্ত করে।
আটককৃত চোর কাজিরহাট থানার চরখাজুরিয়া গ্রামের হারুন ফকিরের ছেলে রুবেল ফকির (২৮) সাত হাজার বিঘা গ্রামের শাজাহান ফকিরের ছেলে শরিফুল ইসলাম (২৫) কে স্থানীয়রা ব্যাটারি সহ হাতেনাতে ধরে ফেলে হিজলা থানায় সংবাদ দিলে

থানার উপ পরিদর্শক মনিরুজ্জামান চোরকে বাচাতে বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে।সংবাদকর্মীদের ছবি তুলতে বাধা প্রদান করে বলেন এখনো চোর প্রমানিত হয়নি।

উল্টো ব্যাটারীর মালিকদের হুমকি দিয়ে বলেন আপনার ব্যাটারী আপনি কি থানায় জিডি করছেন।উপ পরিদর্শক মনির চোরদের পক্ষ নেওয়ায় স্থানীয়রা ডাকচিৎকার দিলে চোর থানায় নিয়ে যায়।
উপজেলার গুয়াবাড়িয়া ইউনিয়নের পূর্ব কোড়ালিয়া গত ৬ মাস পূর্বে স্থানীয়রা চোর ধরে থানায় ফোন দিলে ছুটে যায় এই মনির।তখন জনতা হাত থেকে ছিনিয়ে এনে চোরের পরিবারের সাথে ১০ হাজার টাকা রফাদফা করে চোর কে ছেড়ে দেয়।

গত দেড় মাস আগে উপজেলার আফসার উদ্দিন ফাযিল মাদরাসায় পানি কল চুরি করে স্থানীয় ৩ চোর।তখন মাদরাসার দপ্তরী তাদের আটক করে থানায় সংবাদ দেয়। উপপরিদর্শক মনির সেখানে গিয়ে কাউকে কিছু না বলে চোর নিয়ে যায়।পরে গভীর রাতে সেই চোর কে ছেড়ে দেওয়া হয়।

এভাবেই বিভিন্ন এলাকায় অপরাধীদের পক্ষে কাজ করার অভিযোগ এই মনিরের বিরুদ্ধে।এর আগে বিভিন্ন পত্রিকায় মনিরের বিরুদ্ধে একাধিক সংবাদ প্রকাশ হলেও তার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।
হিজলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ ইউনুস মিয়া বলেন চুরির ঘটনায় নিয়মিত মামলা হয়েছে।