ভোলা জেলা প্রতিনিধি:
ভোলার বোরহানউদ্দিনের পক্ষিয়া ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে আব্দুর রহমান ও তার পরিবারের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে একই এলাকার মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মোতালেব ও তার ছেলে কাজল এর বিরুদ্ধে।
আব্দুর রহমান জানান,রবিবার সকাল ৮ টায় নিজ বাড়ির দরজায় একা পেয়ে প্রতিপক্ষ আব্দুল মোতালেব,তার ছেলে কাজল এর নেতৃত্বে রফিক, নকিব, জাহাঙ্গীর সহ ৮-১০ জন লোক এসে তাকে এলোপাথারি মারধর করে রক্তাক্ত এবং জখম করে। তিনি জানান,জমি সংক্রান্ত বিরোধ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আব্দুল মোতালেব ও তার পরিবারের সাথে তাদের বিরোধ রয়েছে সেই বিরোধের জের ধরে রবিবার সকালে তাদের উপর হামলা করা হয়।
এ সময় তিনি বলেন,আব্দুল মোতালেব মুক্তিযুদ্ধা ও প্রভাব শালী হওয়ায় সেই
ক্ষমতা বলে তার লোকজন আমার উপর হামলা করে।
মুক্তিযোদ্ধা একটি দেশের আদর্শ কিন্তু তিনি সেই আদেশ্যকে লুণ্ঠন করছে, মুক্তিযুদ্ধা এর নাম ভাঙ্গিয়ে আমার জমি আত্মসাৎ করতে চাইছে আমরা মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান করি কিন্তু মুক্তিযোদ্ধারা হয়ে আমি অসহায় ও দুস্থ পরিবারের সম্পত্তি তিনি দখল করতে চাচ্ছে এটা একজন সাধারণ মানুষ মেনে নেবে না কেউ।
এ সময় তিনি বলেন,তারা প্রভাবশালী হওয়ায় প্রতিনিয়ত আমাদের উপর হামলা করছে,জমি আমাদের কিন্তু অন্যায় ভাবে তারা দখল নিতে চাইছে।আমি এর বিচার চাই।
এ সময় তিনি বলেন,আমাকে মারার সময় আমার স্ত্রী সাহিদা বেগম বাধা দিলে তাকেও তারা এলোপাতাড়ি মারধর করে।
সাহিদা বেগম বলেন,আমি একজন নারী হলে ও কাজল,রফিক ও নকিব আমাকে ছাড় দেয়নি আমাকে নির্যাতন করেছে আমি এর বিচার চাই।
এ সময় তিনি বলেন,সকাল ৮ টায় তারা আমাদেরকে পিটিয়ে জখম করলে আমার ছেলে মেয়েরা আমাদেরকে এসে উদ্ধার করে এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসে আমরা বর্তমানে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছি।
এ বিষয় জানতে চাইলে অভিযুক্ত আব্দুল মোতালেব বলেন,তাদের সাথে আমার সাথে জমি নিয়ে দ্বন্দ্ব রয়েছে।
সেই দ্বন্দ্বে তারা আমার উপর হামলা করে আমি করিনি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বোরহানউদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ মনির হোসেন মিয়া জানান,জমি নিয়ে বিরোধের জেরে বোরহানউদ্দিন উপজেলার পক্ষিয়া ইউনিয়নে মুক্তিযুদ্ধা আব্দুল মোতালেব ও আব্দুর রহমান দুপক্ষের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে এমন অভিযোগে পেয়েছি এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে আহতদের দেখে এসেছি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।