• ২১শে জুন, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ , ৭ই আষাঢ়, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বরগুনায় বনায়ন ধ্বংস এবং ৭০টি পুকুর ভরাট করে আশ্রয়ন করার উদ্দোগের প্রতিবাদ।

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত ডিসেম্বর ৬, ২০২২, ১১:০৪ পূর্বাহ্ণ
বরগুনায় বনায়ন ধ্বংস এবং ৭০টি পুকুর ভরাট করে আশ্রয়ন করার উদ্দোগের প্রতিবাদ।

বরগুনা প্রতিনিধিঃ
বরগুনার গৌরিচন্না ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের খাজুরতলা গ্রামে দুই শতাধিক পরিবারকে জিম্মি করে ৭০টি পুকুর,সবুজ বন, মসজিদ, মাদ্রাসা,কবর উচ্ছেদ করে আশ্রয়ন করার উদ্দোগের প্রতিবাদ জানিয়েছে এলাকাবাসী। পরিবেশ বিপর্যায়ে করে আশ্রয়নের প্রতিবাদে আজ সকাল সাড়ে ১১ টায় দুই শতাধিক পরিবার খাজুরতলা গ্রামে মানববন্ধন ও সমাবেশ করে।

বক্তারা বলেন,শতশত বছর বসবাসকারিদের বসতঃবাড়ীর লোকজনের ব্যাবহ্রত ৬০-৭০ টি মিঠা পানির পুকুর ভরাট করে,কোটি টাকার সবুজ বন ধ্বংস করে,মসজিদ,মাদ্রাসা উচ্ছেদ করে আশ্রয়ন প্রকল্প করা হলে পরিবেশের বিপর্যায় হবে। এই উদ্দোগ আমরা মানতে পারিনা।সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে,উপজেলা ভূমি অফিস থেকে ৮ নং খাজুরতলা মৌজায় রেকর্ডীয় সম্পত্তির বসতঃবাড়ীর লোকজনের ব্যাবহ্রত মিঠা পানির পুকুর,বণ,মসজিদ ও মাদ্রাসা,কবরস্থান জুড়ে খাস জমিতে আশ্রয়ন প্রকল্প করার উদ্দেশ্যে লাল নিশান পুতে দেয়া হয়েছে।এখানে দু’পাড়ের লোকজনের ব্যাবহারের ৭০ টি পুকুর ভরাট সহ কোটি টাকা মূল্যের বিভিন্ন গাছ কেটে পরিবেশের বিপর্যায়ের প্রতিবাদে সোচ্চার হয়েছে গ্রামবাসী। একই সময় ভূমি অফিস থেকে এই মৌজার পূর্ব দিকে রাস্তার দক্ষিণ পাশে আশ্রয়ন করার মত পর্যাপ্ত উঁচু খাস জমিও রয়েছে। এখানে আশ্রয়ন প্রকল্প করা হলে সরকারের আর্থিক ব্যায়ও কম হবে।

সমাবেশে বক্তব্য রাখেন,হিরন মাতুব্বর,সাদিক খান,ইরাণী বেগম,বাচ্চু জমাদ্দার,সৌমিত্র ডিগেল প্রমূখ।

বরগুনা সদর উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা জিয়াউল হক বলেন,আমরা দুটি স্হানই নির্ধারন করেছি। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ সরেজমিনে দেখে আশ্রয়নের জন্য একটি স্হান নির্ধারন করবেন।