• ২১শে জুন, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ , ৭ই আষাঢ়, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

“বিধবা ভাতার নাম্বার জালিয়াতি করে ৪ বছর ধরে টাকা উত্তোলন”

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত ডিসেম্বর ২৯, ২০২২, ০৫:৫৭ পূর্বাহ্ণ
“বিধবা ভাতার নাম্বার জালিয়াতি করে ৪ বছর ধরে টাকা উত্তোলন”

স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায় এক বিধবা মহিলা অপর্ণা বাড়ৈ’র ভাতার টাকা জালিয়াতি করে অন্য নাম্বারের মাধ্যমে উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে। ফলে টানা ৪ বছর খাতা-কলমে ভাতাভোগীর নাম থাকলেও বঞ্চিত হচ্ছে পাপ্য সুবিধা থেকে। এই ঘটনা জানাজানি হলে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

ভূক্তোভোগী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার সাদুল্লাপুর ইউনিয়নের পীড়ারবাড়ী গ্রামের মৃত: চিত্ত বাড়ৈর স্ত্রী অপর্ণা বাড়ৈ চার বছর আগে সাবেক ইউপি সদস্য শান্তি রঞ্জন মল্লিকের কাছে একটি বিধবা ভাতার আবেদন করেন।

পরে সাবেক ইউপি সদস্য শান্তি রঞ্জন মল্লিক কাগজ পত্র জমা দিতে বলেন। এরপরে অপর্ণা বাড়ৈ তার কাগজপত্র জমা দিলে শান্তি রঞ্জন মল্লিক তাকে কাগজপত্রে ঝামেলার কথা বলে ফিরিয়ে দেয়।

পরবর্তীকালে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বিজয়ী নতুন ইউপি সদস্য দুলাল বাড়ৈর কাছে পুনরায় ভাতা কার্ড আবেদন করলে তিনি জানায়, বিধবা ভাতাভোগীর তালিকায় অপর্ণা বাড়ৈর নাম আগে থেকেই রয়েছে। এবং সে ০১৭৬৫১৮৮৫০৭ নগদ নাম্বারে টাকা উত্তোলন করে আসতেছে। অতঃপর ওই নাম্বারের খোঁজ নিলে জানা যায় সাবেক ইউপি সদস্য শান্তি রঞ্জন মল্লিক জালিয়াতি করে ভাতার কার্ডে স্থানীয় শচীন্দ্রনাথ বাড়ৈর নগদ নাম্বার যোগ করে সুবিধা নিয়ে আসছেন।

এই বিষয়ে অভিযুক্ত সাবেক ইউপি সদস্য শান্তি রঞ্জন মল্লিক অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমি ওই মহিলার আইডি কার্ডে তার নাম্বার লিখে জমা দিতে বলেছিলাম, হয়ত সে ভূল করে অন্য কারোর নাম্বার দিয়েছেন। এখানে আমার কিছুই করার ছিলো না।

নাম্বার জালিয়াতি করে টাকা উত্তোলনের বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফেরদৌস ওয়াহিদ বলেন, কারো টাকা কারো নামে নেয়ার সুযোগ নেই। এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।