বেতাগী (বরগুনা) প্রতিনিধি:
বরগুনার বেতাগীতে পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের গাফিলতির কারনে প্রান গেছে এক পথচারীর। বেতাগী- বরগুনা মহাসড়কের ক্যাবল ছিঁড়ে রাস্তায় পরে থাকার পরও ২৪ ঘন্টার মধ্যেও বিচ্ছিন্ন করেননি বিদ্যুৎ সংযোগ যার ফলে বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে মারা গেছে ওই পথচারী, এমটাই দাবী ওই এলাকাবাসী ও নিহত পথচারী মো. ইত্তিজার পরিবারের। তবে বেতাগী পল্লী বিদ্যুৎ সাব জোনাল অফিস কর্তৃপক্ষ বলেন তারা বিদ্যুতের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেছেন, কারা পরবর্তীতে লাইন সংযোগ করেছেন তা জানেননা। উপজেলার সোনারবাংলা বাজারের সড়কের পাশে রবিবার দুপুরে দুর্ঘটনাটি ঘটে। বিদ্যুৎপৃষ্টে নিহত ইত্তিজা(৩০) খানের হাট এলাকার বাসিন্দা ফজলু হাওলাদারের ছেলে।
জানা যায়, গতকাল বেতাগী- বরগুনা মহাসড়কে রাত ১১টার দিকে একটি মালবাহী গাড়ীর সাথে লেগে বিদ্যুতের প্রধান ক্যাবল ছিড়ে রাস্তায় পড়ে থাকে। বেতাগী বিদ্যুৎ অফিসে জানানো হলে তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন কিন্তু কোন ধরনের বিদ্যুত সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেননি। রবিবার দুপরের দিকে ওই রাস্তা দিয়ে একই এলকার বাসিন্দা ইত্তিজা হেঁটে যাওয়ার সময় বিদ্যুৎপৃষ্ট হন। পরে স্থানীয়রা দেখতে পেয়ে বেতাগী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।
স্থানীয় বাসিন্দা সুমন বলেন, গতকাল সড়কের মেইন তার ছিড়ে যাওয়ার পর বিদ্যুৎ অফিসে খবর দেওয়ার পরও তারা ঠিক করে নায়। আজকে সকালে এসে দেখি সড়কের পাশে পড়ে আছে ইত্তিজা। বিদ্যুৎ অফিসের গাফিলতির কারনেই এই ঘটনা ঘটছে।’
নিহত ইত্তিজার ভাই মিরাজ বলেন,‘ তার ছিঁড়ে যাওয়ার একদিনের মধ্যেও পল্লী বিদ্যুতের লোকজন ঠিক করেননি। তাদের গাফিলতির কারনেই আজকে আমার ভাইকে হারাতে হলো।’
বেতাগী পল্লী বিদ্যুৎ সাব জোনাল অফিসের প্রকৌশলী বিমল চন্দ্র বলেন,‘ যেদিন ক্যাবল ছিঁড়েছে সাথে সাথে আমাদের বিদ্যুৎ কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে। পরবর্তীতে কে বা কার ওই সংযোগ দিয়েছেন আমাদের জানা নেই আমরাই বিষয়টির খোঁজখবর নিচ্ছি। বেতাগী থানার ওসি মো. আনোয়ার হোসেন বলেন,এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। তবে পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের কোন গাফিলতি আছে কিনা এ ব্যাপারে তদন্ত করা হবে।