• ২৫শে জুন, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ , ১১ই আষাঢ়, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বশেমুরবিপ্রবি শিক্ষার্থীকে ধর্ষন চেষ্টাকারীর সর্বোচ্চ শাস্তির দাবীতে মানববন্ধন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৩, ১৪:০৭ অপরাহ্ণ
বশেমুরবিপ্রবি শিক্ষার্থীকে  ধর্ষন চেষ্টাকারীর সর্বোচ্চ শাস্তির দাবীতে মানববন্ধন

মোঃ রাসেল হোসেন,বশেমুরবিপ্রবি প্রতিনিধি :গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীকে টিউশনি দেওয়ার আশ্বাসে বাড়িতে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ চেষ্টার বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে অভিযুক্ত এ্যড. আলমগীর হোসেনে এর যথোপযুক্ত শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ রবিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেইন গেটের সামনে গোপালগঞ্জ-টুঙ্গিপাড়া সড়কে এ মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করা হয়।

মানববন্ধনে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. একিউএম মাহবুব, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোবারক হোসেন,প্রক্টর ড. কামরুজ্জামান, শিক্ষক সমিতির সভাপতি ড. আবু সালেহসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ,বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসার্স এসোসিয়েশন, কর্মচারী সমিতি, বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন ।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ.কিউ.এম মাহবুব বলেন, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের মেতি ছাত্রীকে টিউশনের প্রলোভন দেখিয়ে নির্জন বাসায় ডেকে নিয়ে ধর্ষনের চেষ্টা করে। একজন আইনজীবীর কাছ থেকে এমন ন্যাক্কারজনক কাজ আশা করিনি। আমরা এ ঘটনায় অত্যান্ত লজ্জিত। আমার এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবী করছি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোবারক হোসেন বলেন, বঙ্গবন্ধুর পবিত্র ভূমিতে এমন ঘটনা মেনে নেওয়া কঠিন।

এসময় শিক্ষার্থীরা প্লে কার্ড হাতে নিয়ে প্রতিবাদ জানান।
উল্লেখ্য গত শুক্রবার বিকালে আলমগীর হোসেন(৪৫)টিউশন দেওয়ার নাম করে শহরের নবীন বাগ নামক জায়গায় ঐ শিক্ষার্থীকে ফোন দিয়ে ডেকে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করে। এসময় কোনোমতে ভুক্তভোগী পালিয়ে আসে।

এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-রেজিস্ট্রার মোঃ মোরাদ হোসেন বাদী হয়ে এজাহার দায়ের করেছেন।

এজহার সূত্রে আরো জানা যায়, টিউশনির কথা বলে অভিযুক্ত আলমগীর ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীকে বাসায় ডাকে। সরল মনে বাসায় যায় ঐ শিক্ষার্থী। এর পর বাসার অন্য সদস্যরা না থাকায় অভিযুক্ত আলমগীর হোসেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর স্পর্ষকাতর স্থানে হাত দেয় এবং পরিধান কৃত কাপড় ছিড়ে ফেলার চেষ্টা করে। পরে ওই শিক্ষার্থী অভিযুক্তকে নামাজের কথা বলে কোন ক্রমে পালিয়ে আসেন। বাইরে এসে চিৎকার করলে পাশের ফ্লাট থেকে মানুষ আসে। পরবর্তীতে ঐ শিক্ষার্থী তার সহপাঠী ও শিক্ষকদেরকে বিষয়টি অবহিত করেন।