• ২৫শে জুন, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ , ১১ই আষাঢ়, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বাঘারপাড়ায় আগুনে পুড়ে দুটি দিনমজুর পরিবার নিঃস্ব পাশে দাড়ালেন ডাঃ নিকুঞ্জ বিহারী গোলদার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৩, ১৬:১০ অপরাহ্ণ
বাঘারপাড়ায় আগুনে পুড়ে দুটি দিনমজুর পরিবার নিঃস্ব পাশে দাড়ালেন ডাঃ নিকুঞ্জ বিহারী গোলদার

আবু তাহের, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
যশোরের বাঘারপাড়ায় বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে সৃষ্ট আগুনে দুটি পরিবারের ছয়টি ঘরসহ ঘরের যাবতীয় সামগ্রী পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার বাসুয়াড়ি ইউনিয়নের রঘুনাথপুর (চাড়াভিটা বাজার সংলগ্ন) গ্রামের দিনমজুর হাসান আলী ও রুবেল হোসেনের বাড়িতে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। পরে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
স্থানীয়রা জানায়, বাড়ির বসতঘর থেকে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সুত্রপাত। মুহুর্তে আগুন পুরো বাড়ির সকল বসতঘরের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় আগুন নেভাতে স্থানীয়রা চেষ্টা চালায়। পরে খবর পেয়ে বাঘারপাড়া ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ততক্ষণে ঐ বাড়ির দুই ভাই হাসান ও রুবেলের বসবাসরত ৬টি টিনের ছাউনির ঘর পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার দুটির খোজ খবর নিতে ছুটে আসেন স্থানীয় মহিলা ইউপি সদস্য শরিফা বেগম ও যশোর মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতালের অবসরপ্রাপ্ত গাইনি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান বাঘারপাড়ার কৃতী সন্তান, বরেণ্য ডাক্তার অধ্যাপক নিকুঞ্জ বিহারী গোলদার। এসময় ডাক্তার নিকুঞ্জ বিহারী গোলদার। দুটি পরিবারকে (১০০০০/-) দশ হাজার টাকা করে মোট (২০০০০/-) বিশ হাজার টাকা সহায়তার প্রদান করেন। তিনি ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের সকলকে ধৈর্য ধরাতে পরামর্শ দেন।
আগুনে ক্ষতিগ্রস্থ একটি বাড়ির মালিক হাসান আলী বলেন, “আমার ও আমার মামাতো ভাই রুবেলের ঘরে থাকা স্বর্ণালংকার, জমির দলিলপত্র, আইডিকার্ড, পোষাক, লেপ-কাথা, শরিষাসহ দুই পরিবারের মূল্যবান জিনিসপত্র সব পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে আমাদের নগদ তিন লাখ টাকাসহ অন্তত ১০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এখন আমাদের পরনের কাপড় ছাড়া আর কিছুই রইলো না।”
বাঘারপাড়া ফায়ার সার্ভিসের (ভারপ্রাপ্ত) স্টেশন কর্মকর্তা আয়ুব হোসেন জানান, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয় সাধারণ মানুষ সহ আমাদের সদস্যরা মিলে ঘন্টা খানেক সময় ধরে চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। এতে পরিবারগুলোর প্রায় নগদ অর্থসহ আট লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করা যায়।। বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সুত্রপাত বলে ধারণা করা হচ্ছে।