• ২৫শে জুন, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ , ১১ই আষাঢ়, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

স্কুল ছাত্রকে চোখবেঁধে নির্যাতনের ৫ মাস পর ফের একই বিদ্যালয়ে ৪ শিক্ষার্থীকে বেত্রাঘাত

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৩, ০৮:৫২ পূর্বাহ্ণ
স্কুল ছাত্রকে চোখবেঁধে নির্যাতনের ৫ মাস পর ফের একই বিদ্যালয়ে ৪ শিক্ষার্থীকে বেত্রাঘাত

স্টাফ রিপোর্টার:
৫ মাসের মাথায় একই বিদ্যালয়ের ফের ৪ শিক্ষার্থীকে স্কুল পালানোর কারণে বেত্রাঘাত করার অভিযোগ ওঠেছে ওই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা মোসা. হোসনেয়ারা বেগমের বিরুদ্ধে। এঘটনায় ওই ৪ শিক্ষার্থী বর্তমানে গুরুতর অসুস্থ্য অবস্থায় প্রাথমিক চিকিৎসা নিচ্ছেন। গুরুতর আহত সকল শিক্ষার্থীরা ওই বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেনীর শিক্ষার্থী। আহতরা হলেন, মো. আরাফাত(১১) মেহেদী হাসান(১০), রাজ(১১) ও রাব্বি(১১)।
এঘটনায় গত বৃহস্পতিবার(১৬ ফেব্রুয়ারী) অভিযুক্ত ওই সহকারী শিক্ষিকার বিরুদ্ধে বিদ্যালটির প্রধান শিক্ষক শ্যামল চন্দ্র কর্মকার তিন দিনের মধ্যে কারণ দর্শানো নোটিশ দিয়েছেন।
এর আগে গত ১৫ ফেব্রুয়ারী ওই ৪ শিক্ষার্থী ক্লাশের মধ্যাহ্ন বিরতির পরে পাঠগ্রহণ না করে বন্ধুদের সাথে মাঠে খেলা করে। পরবর্তী ক্লাশে তারা বিদ্যালয়ে আসলে তাদেরকে এক সারিতে দাড় করিয়ে সহকারী শিক্ষিকা মোসা. হোসনেয়ারা বেগম বেত দিয়ে বেদম প্রহার করে। বেত্রাঘাতে শিক্ষার্থীদের হাতে পায়ে ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে ফুলা জখম হয়। এছাড়াও ওই সহকারী শিক্ষিকা তাদেরকে বিদ্যালয় থেকে বহিস্কারের হুমকী প্রদান করেন। আহত শিক্ষার্থীরা বাড়ি ফেরার পরে তাদের শাররীক অবস্থার অবনতি ঘটতে শুরু করে। পরে বিষয়টি শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা প্রধান শিক্ষককে জানালে তিনি ঘটনার সত্যতা পেয়ে ওই শিক্ষিকাকে নোটিশ প্রদান করেন।
গুরুতর আহত শিক্ষার্থী মো. আরাফাত জানায়, শিক্ষিকা মোসা. হোসনেয়ারা বেগম তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে প্রহার করেন। তার শরীরের সমগ্র পেশী ব্যাথা করছে। ব্যাথায় জ্বরে কাতরাচ্ছেন ওই শিক্ষার্থী।
এব্যপারে ওই সহকারী প্রধান শিক্ষিকা মোসা. হোসনেয়ারা বেগম জানায়, আমি কোন শিক্ষার্থীকে বেত্রাঘাত করিনি। ক্লাশ ফাঁকি দেওয়ায় তাদেরকে ধমক দিয়েছি মাত্র। স্থানীয় রাজনৈতিক কোন্দলের কারণে একটি পক্ষ আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ সাজিয়েছেন।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শ্যামল চন্দ্র কর্মকার বলেন, আমি বিষয়টি জানার পরে ওই শিক্ষিকাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছি। নোটিশের জবাব পাওয়ার পরে আমরা আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করবো।