• ২৬শে জুন, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ , ১২ই আষাঢ়, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

হিজলায় মেঘনা নদীতে প্রশাসনের উপর বারবার হামলা নেপথ্যে চাঁদাবাজি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত মার্চ ১২, ২০২৩, ০২:৫১ পূর্বাহ্ণ

হিজলা প্রতিনিধি।। বরিশালের মেঘনা নদীতে অভয়শ্রমের অভিযান পরিচালনা করতে গিয়ে একাধিকবার জেলেদের হামলার শিকার হয়েছে প্রশাসন।

১০ই মার্চ শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা এম এম পারভেজ ও নৌ পুলিশ ইনচার্জ বিকাশ চন্দ্র দের নেতৃত্বে নদীতে অভিযান পরিচালনার সময় প্রশাসনের উপর জেলেরা এলোপাতাড়ি হামলা চালায়।

হামলায় আহত হয় উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা এম এম পারভেজ, নৌ পুলিশ ইনচার্জ বিকাশ চন্দ্রের সহ ৯ জন।

এই ঘটনায় স্থানীয় সোলাইমান মাঝি, নাগর কারিকর সহ একাধিক জেলে বলে এই হামলার কারণ মাঝিরা প্রতিদিন নৌকা প্রতি দুই থেকে তিন হাজার টাকা করে চাঁদা আদায় করে। তারা আরো বলেন হামলার স্থলে নৌকা থেকে চাঁদা কালেকশন করে রমিজ হাওলাদার আর সেই টাকা প্রশাসনের জন্য নিয়ে যায় মৎস্য দপ্তরের মাঝি সাইদুল।

মৎস্য, নৌ পুলিশ, কোস্টগার্ড এ রয়েছে কয়েকজন মাঝি এদের মধ্যে জেলেদের কাছ থেকে চাঁদা কালেকশনে এগিয়ে রয়েছে সাইদুল।
এটা মানতে পারছে মাঝি ইয়াছিন সহ অন্যরা।

১০ মার্চ শুক্রবার অভিযানের মাঝি ছিল ইয়াসিন যখন সাইদুলের মাশোয়ারা নেওয়া এক জেলের জাল আটক করে তখন এই হামলার ঘটনা ঘটে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক মাছ ঘাটের মালিক জানায় জেলের টাকা ছাড়াও প্রতিটি মাছঘাট থেকে শ্রেণী অনুযায়ী ১৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা করে মাসে দিতে হয় প্রশাসনকে।

১১ মার্চ দিনব্যাপী নৌপুলিশ মেঘনা নদীতে অভিযান পরিচালনা করে ২ টি ট্রলার জব্দ করে এবং ৮ জনকে আটক করে।

প্রশাসনের উপর হামলার ঘটনায় নৌপুলিশের এসআই নাসির উদ্দিন বাদী হয়ে ১৭ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ১২/১৩ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করে।

উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা এম এম পারভেজ জানায় সাইদুলের চাঁদাবাদি তথ্য বিভিন্ন মাধ্যম থেকেই এরই মধ্যে শুনা যায়। তবে তদন্ত পূর্ব আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।