নলছিটি প্রতিনিধি:: বিঘা জমিতে অন্তত পাঁচ থেকে ছয় মণ করে ধান কম পাওয়ার আশঙ্কা করছেন নলছিটি উপজেলার কৃষকেরা।
নলছিটি উপজেলায় বোরো ধানক্ষেতে বিভিন্ন ধরনের পোকার আক্রমণ দেখা দিয়েছে। পোকার আক্রমণ ঠেকাতে বিভিন্ন কীটনাশক ব্যবহার করেও কোন সুফল না পেয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন কৃষকরা কৃষি বিভাগ থেকে সঠিক পরামর্শ পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেন।
নলছিটি উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে বিলে দেখা গেছে, ধানের ক্ষেতে ছড়ি থেকে সবেমাত্র শীষ বের হতে শুরু করেছে। এরই মধ্যে ওই বের হওয়া ছড়িতে ধানের শীষে সাদা লম্বা লেদা পোকা ধানের শীষগুলো ছিদ্র করে ফেলছে। ফলে ওই ছড়িতে ধান না হয়ে শুকিয়ে সাদা (চিটা) হয়ে যাচ্ছে। কৃষকদের অভিযোগ এমন দুরবস্থায়ী পাশে নেই কৃষি বিভাগ নিজেদের মতই চলছেন পোকা দমনের চেষ্টা।
পোকার আক্রমণ থেকে বোরো ধান রক্ষায় বিভিন্ন কীটনাশক ব্যবহার করতে দেখা গেছে। পোকার আক্রমণে ক্ষতির মুখে পড়ছেন অধিকাংশ কৃষক। এতে প্রতি বিঘা জমিতে অন্তত পাঁচ থেকে ছয় মণ করে ধান কম পাওয়ার আশঙ্কা করছেন কৃষকরা।
কুলকাঠি ইউনিয়নের কৃষক মাহাবুব বলেন, “বোরো রোপণের পর ২০ থেকে ২৫ দিন পর্যন্ত কোনো পোকা আক্রমণ করেনি। হঠাৎ করে খেতে ব্যাপকভাবে পোকার আক্রমণ বেড়েছে। রক্ষা পেতে বিভিন্ন কীটনাশক ব্যবহার করেছি। এরপরও পোকার আক্রমণ বেড়েছে। কীটনাশক ব্যবহারেও প্রতিকার মিলছে না। এ দুর অবস্থার সময় কোন কৃষি অফিসের সহযোগিতা পাচ্ছিনা। কাগজ কলমে নলছিটির উপজেলায় ২০জন উপ সহকারী থাকলেও মাঠ পর্যায়ে অনেককেই দেখা মিলে না ।
নলছিটি উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি বোরো মৌসুমে কয়রা উপজেলায় ৬ হাজার ৩৮৮ হেক্টর জমিতে বোরো ধান আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল।
নলছিটি উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ সানজিদা আরা শাওন বলেন, নলছিটি উপজেলার বিভিন্ন বোরো খেতে পোকার আক্রমণ করেছে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাবৃন্দ মাঠ পরিদর্শন ও প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিচ্ছেন।