হিজলা প্রতিনিধিঃ বরিশালের হিজলা উপজেলায় মৎস্য কর্মকর্তার চাদাবাজীতে অতিষ্ঠ মেঘনা নদীর জেল ও ক্ষুদ্র মৎস্য ব্যবসায়ীরা।।বিভিন্ন সময় নদীতে অভিযান চলাকালীন সময়ে অসহায় জেলেদের জিম্মি করে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা এম এম পারভেজের বিরুদ্ধে।
এ বিষয়ে প্রশাসনের উর্দ্ধতন মহল নিশ্চপ থাকায় হতাশ মেঘনা পাড়ের জেলেরা।মেঘনা পাড়ের অসহায় জেলেদের দারিদ্রতার সুযোগ পেয়ে মৎস্য কর্মকর্তা মৎস্য কর্মকর্তা নামে মাত্র অভিযান, চাঁদাবাজির মহোৎসব।
নৌকার ধরন অনুযায়ী প্রতিটি নৌকা থেকে ৮শত থেকে ২৫ শত টাকা পর্যন্ত মাছ শিকার করার জন্য জেলেদেরকে গুনতে হচ্ছে প্রতিদিন।
ছেলেদের কাছ থেকে এসব অর্থ আদায়ের জন্য রয়েছে এক ঝাঁক মাঝি মামলা সিন্ডিকেট ।
কর্মকর্তা লোক দেখানো অভিযান করতে যাওয়ার সময় নদী পাহারাদার বারেক মোল্লা লাইভ করতে থাকেন নদীতে কোন জেলে নাই অর্থাৎ জেলেদেরকে জানান দেয়া।
জেলেদের কাছ থেকে টাকা উত্তোলন দায়িত্বে রয়েছে মৎস্য দপ্তরের নদী পাহাড়াদার রুহুল আমিন ও আলআমিন।
অভয়াশ্রমের অভিযান কে কেন্দ্র করে দৈনিক লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন এই মৎস্য কর্মকর্তা।গত সপ্তাহে লক্ষীপুর জেলার রায়পুর উপজেলার সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আলতাফ মাষ্টারের বালু কাটার মেশিন হিজলার শাওড়া সৈয়দখালী নামক স্থানে আটক করে ২ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ করে আলতাফ মাষ্টারের ম্যানেজার।
এছাড়াও গত শুক্রবার রাত ৯ টার সময় উপজেলার মেঘনা নদীর বাগড়ছা নামক স্থান থেকে ৩২ ব্যারেল অবৈধ মাছ আটক করে ৬ লক্ষ টাকার লেনদেন করে মাছ ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ করেন ঐ ট্রলারের মাঝি আলমগীর।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা এম এম পারভেজ এর নেতৃত্বে উপজেলার সকল মাছ ঘাটে দৈনিক লক্ষ লক্ষ টাকার অবৈধ মাছ ক্রয় বিক্রয় হয় যার প্রমান এই প্রতিবেদকের কাছে রয়েছে।
যেসব জেলেরা নিষেধাজ্ঞা মেনে নদীতে যায় না এমন একাধিক জেলেরা জানায় মাঝে মধ্যে নদীতে নামে মাত্র অভিযান দেখায়।যাতে যেসব জেলেরা মাছ শিকার করে ঠিত মত টাকা দেওয়ার জন্য। এ সকল বিষয়ে মৎস্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ হয়েছে। ওই সংবাদ পেপার হকার যখন তার অফিসের বিতরণ করতে গিয়েছে এই সংবাদ দেখে তিনি পেপারটি টয়লেটে ছুড়ে মেরে আর বলে এসব সংবাদে কি হয়।
কেন পেপার ছুড়ে মেরেছেন এমন প্রশ্ন এড়িয়ে গিয়ে তিনি উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা বলেন আমার নাম ভাঙ্গিয়ে যদি কেউ নদীতে চাঁদাবাজি করে তার কি করার আছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ তারেক হাওলাদার জানায় অভিযানে নদীতে এতো অনিয়ম হয় এসব বিষয় তার জানা ছিলনা।তবে এসব বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনী ব্যবস্থা নেব।