স্টাফ রিপোর্টার :
পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনের জনগণকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন পটু্য়াখালী জেলা কৃষক লীগের সহ-সভাপতি ও বিশিষ্ট শিল্পপতি দশমিনার কৃতি সন্তান মো. ইকবাল হেসেন জমাদ্দার। তিনি পটু্য়াখালী-৩ আসন থেকে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী। ইকবাল হোসেন দীর্ঘদিন ধরে ব্যক্তিগত উদ্যোগে গলাচিপা ও দশমিনা উপজেলার অসহায় মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। আওয়ামী লীগ সরকারের প্রচার-প্রচারণায়ও পিছিয়ে নেই তিনি। কাজ করছেন স্মার্ট বাংলাদেশ নির্মাণেও।
এক শুভেচ্ছা বার্তার শুরুতে ইকবাল হোসেন, গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। শ্রদ্ধা জানান জাতীয় চার নেতার প্রতি। স্মরণ করেন মুক্তিযুদ্ধের ৩০ লাখ শহীদ এবং দুই লাখ নির্যাতিত মা-বোনকে।
ইকবাল হোসেন জমাদ্দার বলেন,
পবিত্র রমজানে মাসব্যাপী সিয়াম সাধনা ও সংযম পালনের পর অপার খুশি আর আনন্দের বার্তা নিয়ে সমাগত হয় শাওয়ালের নতুন চাঁদ, পবিত্র ঈদুল ফিতর। ঈদ মুসলমানদের জন্য এক আনন্দঘন দিন। এ আনন্দ ছড়িয়ে পড়ে গলাচিপা-দশমিনাসহ সারা বাংলায়। ঈদ শান্তি, সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্ববোধের অনুপম শিক্ষা দেয়। হিংসা ও হানাহানি ভুলে মানুষ সাম্য, মৈত্রী ও সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ হয়। ঈদ ধনী-গরিবনির্বিশেষে সবার জীবনে আনন্দের বার্তা বয়ে নিয়ে আসে। পবিত্র ঈদুল ফিতরে গলাচিপা-দশমিনা উপজেলার জনগণ ও দলীয় নেতাকর্মীদের আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। ঈদ মোবারক। তিনি বলেন, আসুন আমরা স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করি।
অন্যদিকে মনোনয়ন পাওয়া প্রসঙ্গে ইকবাল হোসেন জমাদ্দার গণমাধ্যমকে বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা
যদি আমাকে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দশমিনা-গলাচিপা থেকে নৌকা মার্কায় মনোনয়ন
প্রদান করেন তাহলে আমি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সোনার বাংলাদেশ গড়ার
লক্ষ্যে আমার অঞ্চলে উন্নয়নমুলক কাজের ধারা অব্যাহত রাখবো। আমাদের এ অঞ্চলের মানুষের
প্রধান আয়ের উৎস হলো কৃষি। মানুষের উন্নয়নের উদ্দেশ্যে আমার প্রধান লক্ষ্য হলো কৃষি শিল্প
বিপ্লব ঘটানো। এই নীতি বাস্তবায়নে স্থানীয় মানুষকে আধুনিক কৃষি সম্পর্কে প্রশিক্ষণ ও প্রযুক্তি
নির্ভর কৃষির প্রচলনের পরিবেশ তৈরি করবো এবং জাপান ও কোরিয়ান বিনিয়োগকারীদের মাধ্যমে
গলাচিপা দশমিনা অঞ্চলকে একটি কৃষি শিল্প ও বাণিজ্য নগরি গড়ে তুলতে চাই। যাহাতে কৃষকরা
তাদের কৃষি পণ্য সামগ্রী দশমিনা-গলাচিপা থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রপ্তানি করতে পারবেন।