• ২৩শে জুন, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ , ৯ই আষাঢ়, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মায়ের স্মৃতি মনে করে অঝোরে কাঁদলেন উপজেলা চেয়ারম্যান

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত মে ১৪, ২০২৩, ০৪:৪৩ পূর্বাহ্ণ
মায়ের স্মৃতি মনে করে অঝোরে কাঁদলেন উপজেলা চেয়ারম্যান

স্টাফ রিপোর্টার :
পৃথিবীর সবচেয়ে মধুরতম ডাক মা। ছোট্র্র এ শব্দের অতলে লুকানো থাকে গভীর স্নেহ,মমতা ও অকৃত্রিম দরদ। ভ্রুণ থেকে দশটি মাস গর্ভে ধারণ করে যে মা সন্তানকে পৃথিবীর আলো দেখিয়েছেন,সেই মায়ের স্মৃতি চারণ করে অঝোরে কাঁদলেন পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা মো. আবদুল আজীজ। ২০১৫ সালে বার্ধক্য জনিত কারণে মারা যাওয়া জয়নব বিবির কারণে আজ মুক্তিযোদ্ধা, উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুল আজীজ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পুড়াশুনা করা আবদুল আজীজের সফলতার সর্বোচ্চ শিখরে পৌঁছানোর সংগ্রামের সাহসের প্রধান হাতিয়ার ছিলেন তার মা। নিজের সন্তানকে তার লক্ষ্যে পৌঁছে দিতে জীবন সংগ্রামের ভয়াবহ যুদ্ধের বীর যোদ্ধা জয়নব বিবি প্রতিটি পদক্ষেপে লড়াই করে সফল হয়ে হয়েছেন রত্নগর্ভা। ৪ সন্তানের জননী গৃহিনী জয়নব বিবির স্বামী কৃষক আলহাজ্ব এফরাজ আলী মৃধা ছিলেন মধ্যবিত্ত। স্বামীর কৃষির আয় থেকে জয়নব বিবি শত প্রতিকূলতার মধ্য দিয়েও ৪ সন্তানকে পড়াশুনা করিয়ে মানুষের মতো মানুষ গড়েছেন। এরমধ্যে ছোট ছেলে মরহুম খলিলুর রহমান প্রথম শ্রেণির ঠিকাদার ও শিক্ষানুরাগী এবং বড় ছেলে তুখোর মেধাবী উচ্চ শিক্ষিত আবদুল আজীজ হয়েছেন জনপ্রতিনিধি। ধর্মভিরু জয়নব বিবি বরাবরই সন্তানদের কাছে ছিলেন আদর্শ মা ও আশার বাতিঘর। বাবা মারা যাওয়ার পর আগলে রাখা সন্তানদের রেখে ২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে পরোপারে পাড়ি জমান জয়নব বিবি।
মায়ের স্মৃতি চারন করে দশমিনা উপজেলা পরিষদের চেয়াম্যান আবদুল আজীজ বলেন, মারা যাওয়ার দিনও মা আমার পথ চেয়ে বসে ছিলেন। আমি মায়ের কোলে না ফিরলে মা ভাত খেতেন না। রাতে আমার বাড়ি আসার খবর শুনলে মা ঘরের দরজার সামনে গিয়ে বসে থাকতেন। মা যেদিন মারা যান সেদিন, আমি বাড়ি গিয়ে নামাজ পড়ে মাকে নিয়ে এক সাথে ভাত খেয়ে মায়ের টানানো মশারি নিচে ঘুমিয়ে পড়লাম। মা আমি পাশাপাশি খাটে ঘুমাতাম। আমার এতো বয়স হয়েছে, তারপরও আমাকে ঘুম পাড়িয়ে মা ঘুমাতেন। ওই দিনই মা ঘুমের মধ্যেই গভীর রাতে অসুস্থ্য হয়ে আমার মা মারা যান। ডাক্তারের কাছে নেয়ার সুযোগটুকু পাইনি।