• ২৪শে জুন, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ , ১০ই আষাঢ়, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গৌরনদীতে ভেক্যুর থাবায় পরিবর্তন হয়ে যাচ্ছে কৃষি জমির শ্রেনী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত মে ২৮, ২০২৩, ১১:১২ পূর্বাহ্ণ

গৌরনদী (বরিশাল) প্রতিনিধি \ বরিশালের গৌরনদীতে প্রতিনিয়ত ভেক্যু দিয়ে চলছে কৃষি জমির শ্রেনী পরিবর্তন। ভেক্যুর থাবায় ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে কৃষি জমি। এ অবস্থা চলতে থাকলে কৃষি জমির পরিধি কমে যাওয়ার আশংকা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সরেজমিন উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, কোন নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে ভেক্যু দিয়ে অবাধে ধান রোপনের জমি নষ্ট করে বসতবাড়ি, ঘের ও পুকুর খনন করা হচ্ছে। কম খরচে অধিক পরিমাণ মাটি কাটায় দিন দিন ভেক্যুর ব্যবহার বৃদ্ধি পাচ্ছে।
সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার সাত ইউনিয়ন ও পৌর এলাকার কৃষি জমিতে ভেক্যু দিয়ে মাটি কাটার প্রবনতা বৃদ্ধি পেয়েছে। এসব ভেক্যু দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ভাড়ায় নিয়ে এসে জমির মালিকদের সাথে ঘন্টা হিসেবে কিংবা ঠিকা চূক্তিতে মাটি কেটে দিচ্ছে একটি মহল। এক্ষেত্রে কোন নিয়মনীতির তোয়াক্কা করছেনা ভেক্যু কিংবা জমির মালিকরা।
এবিষয়ে একাধিক জনপ্রতিনিধিদের সাথে আলাপকালে জানা গেছে, স্ব স্ব এলাকার প্রভাবশালী মহল কৃষি জমিতে ভেক্যু দিয়ে মাটি কাটার সাথে জড়িয়ে পরছে। কৃষি জমি রক্ষায় স্থানীয় ভাবে তাদেরকে বাঁধা দিলেও বিষয়টিকে ভিন্ন ভাবে নিচ্ছে জমির মালিক ও ভেক্যু ব্যবসার সাথে জড়িতরা। ফলে জনপ্রতিনিধিদের সাথে তাদের দূরত্ব তৈরি হচ্ছে। এক্ষেত্রে প্রশাসন কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহন করলে ভেক্যু নামক যন্ত্রদানব থেকে রক্ষা পেতে পারে কৃষি জমি।
উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ সহিদুল ইসলাম বলেন, নানাবিধ কারনেই কৃষি জমি কমে যাচ্ছে। তবে ব্যক্তি স্বার্থে কেউ কৃষি জমি বিনষ্ট করলে উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবহিত করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
গৌরনদী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ রফিকুল ইসলাম বলেন, কৃষি জমির শ্রেনী পরিবর্তন করতে হলে জেলা প্রশাসকের অনুমোদন লাগবে। এর বাইরে কৃষি জমির শ্রেনী পরিবর্তন করার সুযোগ নেই। তিনি আরও বলেন, ভেক্যু দিয়ে কৃষি জমি ধ্বংস করার তথ্য দিয়ে উপজেলা প্রশাসনকে সহযোগিতা করলে তথ্য প্রদানকারীর পরিচয় গোপন রেখে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।