• ২৫শে জুন, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ , ১১ই আষাঢ়, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিষখালী নদীর ভাঙ্গন রোধে এলাকাবাসীর মানববন্ধন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত জুন ১৪, ২০২৩, ১২:২৬ অপরাহ্ণ
বিষখালী নদীর ভাঙ্গন রোধে এলাকাবাসীর মানববন্ধন

স্টাফ রিপোর্টার :
প্রতিবছর বিষখালী নদী কেড়ে নেয় আবাদী জমি, ঝড় জলোচ্ছ্বাসে আমরা তলিয়ে যাই, বসতঘরসহ সহায় সম্বল সবটুকু। ইতিমধ্যে মধ্যে বিষখালীর করাল গ্রাসে বহু পরিবার সর্বশান্ত হয়ে পথে পথে ঘুরে বেড়াচ্ছে। আমরা ক্ষতিগ্রস্থ্য হওয়ার পরে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সামান্য সহায়তা নিয়ে আমাদের পাশে এসে দাড়ায়। আমরা এই সহায়তা চাই না। আমরা চাই বেরী বাঁধে সিসি ব্লক। নইলে অব্যাহত ভাঙ্গনে যেটুকু সম্বল অবশিষ্ট আছে সেটিও হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে যাবো।
বরগুনার বামনা উপজেলার উত্তর রামনা গ্রামে ভাঙ্গন কবলিত বিষখালী নদী তীরে ক্ষতিগ্রস্থ্য পরিবার ও এলাকাবাসীর আয়োজনে মানববন্ধনে বক্তারা এই কথাগুলো বলেন।
আজ বুধবার(১৪ জুন) সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে রামনা ইউনিয়নসহ আশপাশের এলাকার প্রায় সহস্রাধীক ক্ষতিগ্রস্থ্য পরিবারের লোকজন এ মানববন্ধনে অংশ নেন।
প্রায় ঘন্টাব্যাপী চলা মানববন্ধনে বক্তব্য দেন, রামনা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম জমাদ্দার, বামনা প্রেসক্লাব সাবেক সভাপতি ওবায়দুল কবির আকন্দ দুলাল, বামনা ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক মো. রিয়াদুল কাদিরসহ স্থানীয় ক্ষতিগ্রস্থ্য পরিবারের সদস্যরা।
জানাগেছে, প্রায় দুই যুগ ধরে বিষখালী নদীর অব্যাহত ভাঙ্গনে উত্তর রামনা গ্রোমের শতাধিক পরিবার ভিটামাটি হারিয়ে বর্তমানে মানবেতর জীবন জাপন করেন। গত ২০-২১ অর্থ বছরে এখানের ভাঙ্গন রোধে কিছু জিও ব্যাগ ফেলা হলেও তাতেও ভাঙ্গন রোধ করা সম্ভব হচ্ছেনা। এখানের অব্যাহত ভাঙ্গনে বিলীনের পথে রামনা হয়ে বরগুনা জেলা শহরে যাতায়াতের একমাত্র সড়কটি। দ্রুত ভাঙ্গন রোধে ব্যবস্থা না নেওয়া হলে এই সড়কের যান চলাচল বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
এব্যাপারে বরগুনা জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ড নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাকিব হোসেন বলেন, উত্তর রামনা গ্রামের ভাঙ্গন কবলিত এলাকাটি আমি পরিদর্শন করেছি। ভাঙ্গন রোধে স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য একটি প্রকল্প মন্ত্রনালয়ে অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়েছে। অনুমোদন পেলে শিঘ্রই কাজ শুরু হবে। তবে বর্তমান বর্ষা মৌসুমে এখানে ভাঙ্গন রোধে অস্থায়ী কিছু কাজ করা হবে।