পটুয়াখালী প্রতিনিধি\
পটুয়াখালীতে ঈদ পূর্নমিলনী অনুষ্ঠানে শওকত আলী চৌধুরী জিয়া নামে এক ব্যক্তির বসতঘরে সশস্ত্র হামলা চালিয়ে ভাংচুর ও লুটপাট করেছেন সংশ্লিষ্ট নির্বাচিত চেয়ারম্যানের লোকজন। গত শুক্রবার রাতে গলাচিপা উপজেলার কলাগাছিয়া ইউনিয়নের খারিজ্জমা গ্রামে এঘটনা ঘটে। এই হামলার নেতৃত্ব দিয়েছেন কলাগাছিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কামরুল ইসলাম মাইনুল ও তার ছেলে সোহান। এ সংক্রান্ত সিসি ক্যামেরায় ধারনকৃত ভিডিও চিত্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছরিয়ে পরেছে। এঘটনায় গলাচিপা থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন জিয়া চৌধুরী। গলাচিপা থানার ওসি শোনিত কুমার গায়েন বলেন-এঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।
জিয়া চৌধুরীর অভিযোগ-ঈদ উপলক্ষে তিনি পরিবার নিয়ে গ্রামের বাড়ীতে অবস্থান করেন। গত শুক্রবার রাতে তিনি পরিবার আত্মীয়-স্বজন ও এলাকার গন্যমান্যদের নিয়ে ঈদ পূর্নমিলনী উপলক্ষে নৈশ্যভোজের আয়োজন করেন। এসময় চেয়ারম্যান কামরুল ইসলাম মাইনুল ও তার ছেলে সোহানের নেতৃত্বে অন্তত দেড় শতাধিকের একটি দল দেশীয় লাঠিশোঠা নিয়ে তার বাড়ীতে ঢুকে কোন কিছু বুঝে ওঠার আগেই বসতঘর ভাংচুর শুরু করেন। হামলাকারীরা এসময় তার ব্যবহৃত প্রাইভেটকার ভাংচুর করে বসতঘরে যে যারমত লুটপাট চালান। এতে জিয়া চৌধুরীর ছেলে রিভান ও রায়হান চৌধুরী নিমন্ত্রিত অতিথি জাকির হোসেন এবং মোশারেফসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়। পরে ঘটনা শুনে পুলিশ ও স্থানীয়ও এগিয়ে আসলে হামলাকারীরা স্থান ত্যাগ করেন। এলাকাবাসীর দাবি-গত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে মাইনুলের প্রতিদ্ব›দ্বী প্রার্থী ছিলেন জিয়া চৌধুরী। ওই নির্বাচন থেকেই জিয়া চৌধুরীর প্রতি ক্রুদ্ধ ছিলেন মাইনুল। ওই জেরে এটা হয়েছে। কলাগাছিয়া পুলিশ ফাড়ীর এসআই স্বপন কুমার হাওলাদার বলেন-শুক্রবার দুপুরে মটরসাইকেল চালানো নিয়ে জিয়া চৌধুরীর ছেলে রিভানের চেয়ারম্যানের ছেলে সোহানের সঙ্গে বাকবিতÐা হয়। ওই সুত্র ধরে রাতে হামলার ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত চেয়ারম্যান কামরুল ইসলাম মাইনুল ইসলাম বলেন-শুক্রবার তার উপর হামলা করতে জিয়ার চৌধুরী প্রস্তুতি নিচ্ছিল। এখবর গ্রামবাসী যেনে জিয়া চৌধুরীকে প্রতিরোধ করতে যান,এতে তেমন কিছুই ঘটেনি। চেয়ারম্যান আরও বলেন-শুনেছি জিয়া চৌধুরি নাকি মামলা করতে গেছে, এ মামলায় আর কি হবে। ##