• ২৫শে জুন, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ , ১১ই আষাঢ়, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

অধ্যাপককে প্রাণ নাশের হুমকি, থানায় জিডি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত জুলাই ৫, ২০২৩, ১৪:৫৬ অপরাহ্ণ

আসাদুল ইসলাম, গাইবান্ধা

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে সঞ্জয় কুমার সরকার (৩৪) নামে এক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপককে প্রাণ নাশের হুমকি দিয়েছে প্রতিপক্ষ। এ ঘটনায় থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছে ভুক্তভোগী।

বুধবার (৫ জুলাই) বিকেলে সুন্দরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কেএম আজমিরুজ্জামান জিডির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সঞ্জয় সরকার উপজেলার তারাপুর ইউনিয়নের তারাপুর গ্রামের অধীর চন্দ্র সরকারের ছেলে। তিনি বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক।

জিডি ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তারাপুর গ্রামের সঞ্জয় কুমার সরকারের বাড়ি সংলগ্ন জনসাধারণের যাতায়াতের জন্য একটি রেকর্ডভুক্ত রাস্তা রয়েছে। রাস্তার পাশের জমির মালিক মৃত গ্যান্দোল চন্দ্র সরকারের ছেলে নয়ন কুমার সরকার রাস্তাটি নিজের জমি দাবি করে বিভিন্ন সময়ে রাস্তার মাটি কেটে নেয়। এতে জনসাধারণের যাতায়াতে ভোগান্তি সৃষ্টি হয়। এঘটনায় অধ্যাপক সঞ্জয় সরকার ও তার ভাগী শরিকরা বাঁধা দেয়। পরে গত ২ জুলাই সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্যসহ স্থানীয়রা বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করেও ব্যার্থ হন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে নয়ন কুমার সরকার তার ভাড়াটিয়া লোকজনসহ অধ্যাপক সঞ্জয় কুমার সরকারকে অকথ্য ভাষায় গালি-গালাজ করেন। সেইসঙ্গে বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি ও প্রাণ নাশের হুমকি প্রদর্শন করেন।

অভিযুক্তরা হলেন, তারাপুর গ্রামের তোফাজ্জল হোসেন ওরফে টোপাজলের ছেলে আতিকুর রহমান (২৪), আইয়ুব আলীর ছেলে সাদ্দাম হোসেন (২২), আনছার আলীর ছেলে লিটন মিয়া পচা (২২), নির্মল চন্দ্রের ছেলে জয়ন্ত কুমার মুলা (২২)।

সহযোগী অধ্যাপক সঞ্জয় কুমার সরকার বলেন, কয়েকজন মাদকাসক্ত আমাকে প্রাণ নাশের হুমকি দিয়েছে। এনিয়ে আইনের আশ্রয় গ্রহণ করেছি। সুষ্ঠু বিচার না হলে পরবর্তীতে মামলা দায়ের করবো।

এবিষয়ে সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্য রুহুল আমিন বলেন, রাস্তাটি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে সমস্যা চলে আসছে। বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করেও সেদিন সমাধান করা সম্ভব হয়নি। এদিন অতর্কিতভাবে কয়েকজন উশৃঙ্খল ছেলে অধ্যাপক সঞ্জয় সরকারের উপর চড়াও হয়। এটি দুঃখজনক ঘটনা।

সুন্দরগঞ্জ থানার ওসি কেএম আজমিরুজ্জামান বলেন, জমি নিয়ে বিরোধে হুমকির ঘটনায় অধ্যাপক সঞ্জয় সরকার থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। এনিয়ে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।