• ২১শে জুন, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ , ৭ই আষাঢ়, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

এতিমখানার নাম ভাঙ্গিয়ে জনগণের কাছ থেকে টাকা তুলে করতেছেন আত্মসাৎ।

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত আগস্ট ২১, ২০২৩, ০৩:৩৫ পূর্বাহ্ণ
এতিমখানার নাম ভাঙ্গিয়ে জনগণের কাছ থেকে টাকা তুলে করতেছেন আত্মসাৎ।

মোঃ হুমায়ুন কবির
সাভার প্রতিনিধি।

ঘটনার সূত্রপাত তখন দুপুর দেড় ঘটিকা আশুলিয়া থানা জহর চান্দা গ্রাম নিবাসী জনাব আরিফ বেপারী তার বাড়ি তৈরির কাজ দেখাশোনা করতেছেন
তার সামনে দিয়ে হেটে যাচ্ছিল এই তিনজন লোক সালাম দিয়ে ডাক দিয়ে জিজ্ঞাসা করতেই তাদের তিনজনের ভিতরে মুরুব্বী উনি দাঁড়িয়ে কথা বলতেছেন সাথে থাকা দুইজন পাশের বাড়িতে ঢুকে যান তখন বিষয়টা সন্দেহজনক হলে উনি প্রশ্ন করেন আপনাদের ডাক দিয়েছিলাম আপনি দাঁড়িয়ে আছেন উনারা দুজন কোথায় গেল তখন ওই মুরুব্বী তাদেরকে ফোন দিয়ে তার কাছে আনেন, জিজ্ঞাসা করতেই বেরিয়ে আসে অনেক রহস্যময় ঘটনা, জিজ্ঞাসা করলেন আপনারা কোথা থেকে আসছেন প্রশ্ন করতেই বলে আমরা মাদ্রাসার কালেকশনের জন্য আসছি প্রশ্ন করলে কোথায় আপনাদের মাদ্রাসা বের করে দেয় টাকা নেওয়ার রশিদ বই তাদের আইডি কার্ড যেখানে লেখা আছে কালেক্টর হিসেবে মাদ্রাসার নাম সভাপতি সেক্রেটারি তাদের নাম মোবাইল নাম্বার
মাদ্রাসাটি হলো
সাউথপাড়া হাফেজিয়া দারুল মাদ্রাসা ও এতিমখানা
পোস্ট: শিমুলিয়া, ইউপি: ভাড়রিয়া, থানা: ধামরাই, জেলা ঢাকা।
তাদের কথার ভিতরে অসংগতি পাওয়ার পর শুরু হয় অনেক কথা আপনারা এতিমখানা মাদ্রাসার জন্য আসছেন ভালো কথা আপনারা কোন মাদ্রাসায় পড়তেন, না আমরা কখনো মাদ্রাসায় পড়ি নাই নামাজ সম্বন্ধে প্রশ্ন করলে সম্পূর্ণ ভুল বলে যাচ্ছে আপনারা কি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন না মাঝে মাঝে পরি শুক্রবারে পড়ি দুই একটি সূরার কথা বললেও তাও বলতে পারেনা তখন রহস্য আরো বের হলো আপনারা যে টাকা কালেকশন করেন আপনাদের কি কমিশনে টাকা দেয় তখন বলে আমাদের মাসিক বেতন হিসেবে আট হাজার টাকা করে দেয় কতজন আছেন আপনারা বলে এই মাদ্রাসার কালেকশনের জন্য আটজন নিয়োগ দেওয়া হয়েছে কারা নিয়োগ দিয়েছে মাদ্রাসার সভাপতি সেক্রেটারি ছাত্রের সংখ্যা কতজন 20 জন শিক্ষকের সংখ্যা দুইজন কোন এতিম আছে এর ভিতরে না একজনও নেই কত টাকা কালেকশন হয় প্রতি মাসে সাত থেকে আট লক্ষ টাকা এই টাকা কোথায় ব্যয় হয় আমরা সব টাকা কালেকশন করে সভাপতি সেক্রেটারির কাছে দেই উনারা আমাদের শুধু বেতন দেয় উনারা কি নামাজ পড়েন মাঝে মাঝে পড়ে উনারা মাদ্রাসায় আসেন ছাত্রদের পড়ালেখার খোঁজখবর নিতে না তেমন একটা আসে না। এবার ফোন দেওয়া হল সভাপতির নাম্বারে আপনি কি মাদ্রাসার সভাপতি জি আপনার মাদ্রাসার কালেকশনের জন্য এদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছেন যে আমাদের ৮ জন নিয়োগ দেওয়া আছে আচ্ছা আপনাদের তিনজন লোক আসছে আমার এলাকায় এদেরকে জিজ্ঞাসা করা হলে তারা বলে আরবিক জ্ঞান সম্বন্ধে নামাজ সমন্ধে হাদিস সমন্ধে কোন জ্ঞান নেই ওনারাতো কোন মাদ্রাসায় পড়েননি তাহলে আপনি এদেরকে কিভাবে নিয়োগ দিলেন সভাপতি বলেন এগুলি তো আমরা যাচাই করিনি আমরা জানি না ওদেরকে রাখা হয়েছে শুধু টাকা কালেকশনের জন্য মাস শেষে বেতন দেওয়া হয় এক পর্যায়ে সভাপতি বলেন যাক আমাদের ভুল হয়ে গেছে আমরা ওদেরকে বাদ দিয়ে দিব ওদেরকে ছেড়ে দেন।
এখন প্রশ্ন হল এতিমদের দোহাই দিয়ে এত সুন্দর লেবাস নিয়ে এতিমখানার নাম ভাঙ্গিয়ে জনগণের কাছ থেকে টাকা তুলে আত্মসাৎ করতেছেন তারা যাদের ইসলাম সমন্ধে নিম্নতম কোন জ্ঞান নেই হাদিস সম্বন্ধে জ্ঞান নেই নামাজ সমন্ধে জানেন না অথচ এই প্রতআরক চক্রটী এতিমখানার নাম ভাঙ্গিয়ে মাসে লক্ষ লক্ষ টাকা মাদ্রাসার নামে তুলে সভাপতি সেক্রেটারি সহ তারা সিন্ডিকেট করে টাকাগুলো আত্মসাৎ করতেছে,
বেপারী সাব উনাদেরকে সসম্মানে আপ্যায়নের কথা বললেন উনারা বলে আমরা খেয়ে আসছি এখন আর কিছু খাব না, উনারা বলে আমরা যে কাজটি করছি সম্পূর্ণ অন্যায় কাজ করছি ইসলামের লেবাস পড়ে এতিমের নাম ভাঙ্গিয়ে টাকা তুলে আত্মসাৎ করাটা আমাদের অপরাধ হয়েছে আমরা আর কোনদিন এই কাজ করব না যদি আমাদেরকে কোথাও আপনারা আবার টাকা কালেকশন করতে দেখেন আইনের হাতে তুলে দিবেন এই কথা বলার পরে উনাদেরকে সম্মানের সাথে বিদায় করা হয়েছে,
সবাই প্রতারক চক্র থেকে সাবধান।