পীর সাহেবের দরবারে আজ
জশনে জুলুস জলসা,
মুরিদানের বইছে মনে
প্রেম আবিরের সালসা।
পীর বাবাজির জন্মদিনে
বাদ্য-বাজি, পটকা,
কীর্তনে তার, বুক ধড়ফড়,
ঘুম ভেঙে যায় চটকা।
ঢোল-তবলা, খোল, করতাল
গাইছে নানান রঙ্গে,
লালসালুতে ঢাকছে যেন,
সবুজ-শ্যামল বঙ্গে
লালের চোটে ক্ষেপেই সারা
ক্ষেন্তি বুড়ির ষাঁড়টা,
হ্যাঁচকা টানে ফেললো ছিঁড়ে,
লালসালুর ওই পাড়টা।
রে রে করে আসলো ছুটে
জনা দশেক ভক্ত,
সিজদা দিয়ে লুটিয়ে ছিল
পীরের অনুরক্ত।
কেবলাটাকে পেছন রেখে
কপাল কবর গাত্রে,
ষাঁড়ের শিং-এ পড়লো ছুটে
তবারকের পাত্রে।
কি সর্বনাশ! পীর মানেনা,
দেখো ষাঁড়ের কান্ড,
ক্ষুরের ঘায়ে ফেলল ভেঙে
গোলাপ পানির ভান্ড।
মিটমিটিয়ে বলল যারা
খুব বখাটে, জঞ্জাল,
পীর কোথা? ওই কব্বরে তো
পীরের ঘোড়ার কঙ্কাল।
শেখ ফাহমিদা নাজনীন
২০ সেপ্টেম্বর ২০২৩।