বরগুনা জেলা প্রতিনিধি:
বরগুনার বেতাগী উপজেলায় চান্দখালী ঐতিহ্যবাহী এসাহাক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বাবুল মিয়ার অনৈতিক কাজে জড়িয়ে পড়ে প্রদান অঙ্গ কর্তন (নুনু কাটা) পড়ায় তাকে অবিলম্বে অপসারনের দাবী জানিয়েছে বিদ্যালয়ের প্রান্তন শিক্ষার্থী এবং শিক্ষার্থীদের অভিবাবক ব্যবসায়িক ও স্হানীয়রা।
বুধবার (১১ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০ টায় চান্দখালী বাজারে প্রধান শিক্ষকের অপসারনের দাবীতে বিক্ষোভ মিছিলে মিছিল করেন বিদ্যালয়ের স্কুল মাঠে।
জানা যায়, ৬ সেপ্টেম্বর বিদ্যালয়েরটির এক প্রান্তন শিক্ষার্থীকে ধর্ষনের চেস্টা করলে শিক্ষার্থী ৯৯৯ ফোন দিলে পুলিশ তাকে উদ্বার করে। এ সময় প্রধান শিক্ষককে রক্তাক্ত অবস্হায় উদ্বার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এই ঘটনার পর বিদ্যালয় ব্যাবস্হাপনা কমিটি নীরবতা পালন করায় অভিবাকরা প্রধান শিক্ষকে অপসারনের দাবী করেন। এক পর্যায়ে ভয় দেখিয়ে সেই অনৈতিক কাজে জড়িয়ে পড়া স্কুল ছাত্রীকে গ্রাম থেকে সরিয়ে রাখেন প্রধান শিক্ষক বাবুল মিয়া।অভিবাবকদের চাপে ৫ সদস্যর একটি তদন্ত টিম গঠন করা হলেও প্রধান শিক্ষককে বহাল রাখা হয়।
বিদ্যালয় ব্যাবস্হাপনা কমিটির সভাপতি ও জেলা আ.লীগের সাধারন সম্পাদক ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব জাহাঙ্গীর কবির বলেন, প্রধান শিক্ষক বাবুল মিয়ার বিরুদ্ধে একটি তদন্ত টিম গঠন করা হয়েছে। তদন্ত টিমের প্রতিবেদন পেয়ে ব্যাবস্হা নেয়া হবে।
বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্বা বজলুর রশিদ (দুলাল) বলেন, একজন শিক্ষক জাতির বিবেক সেই শিক্ষক প্রাক্তন ছাত্রীর সাথে অনৈতিক কাজে জড়িয়ে আজ প্রতিষ্ঠানটি হুমকির মুখে। এই যে অনৈতিক কাজ করেছেন আমাদের সন্তানদের এই বিদ্যালয় লেখাপড়ার পরিবেশ নেই। অবিলম্বে তাকে অপসারন করা না হলে আমাদের সন্তানদের নিয়ে যেতে বাধ্য হবো।
প্রান্তন ছাত্র জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ঐতিহ্যবাহী বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক প্রাক্তন ছাত্রীর সাথে অনৈতিক কাজে জড়িয়ে পড়ে তার নুনু কাটা এটা খুবই দুঃখজনক। অতি বিলম্বে এই নুনু কাটা শিক্ষককে বহিষ্কার করা হয়।
শিক্ষার্থী অভিবাবক, বিদ্যালয়ের প্রান্তন শিক্ষার্থী ছাড়াও ব্যাবসায়ী ও স্থানীয় যুবকরা অংশ নেন। এ সময় ৩ থানার অবস্থিত চান্দখালী বাজারের প্রধান প্রধান সড়ক ঘুরে বিক্ষোভ নিয়ে বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্টিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, অভিবাবক জহির খান, রইউপি সদস্য মজিবর রহমান, অভিবাবক, গোলাম মোর্শেদ প্রমূখ।