• ২৫শে জুন, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ , ১১ই আষাঢ়, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বোরহানউদ্দিনে এক আতঙ্কের নাম হাকিমুদ্দিন নৌ-পুলিশ ফাড়ির এএসআই মাহবুব

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত অক্টোবর ২২, ২০২৩, ১৫:০২ অপরাহ্ণ
বোরহানউদ্দিনে এক আতঙ্কের নাম হাকিমুদ্দিন নৌ-পুলিশ ফাড়ির এএসআই মাহবুব

নিজস্ব প্রতিবেদক,ভোলা:
ভোলার বোরহানউদ্দিনে হাকিমুদ্দিন নৌ-পুলিশের এএসআই মাহবুবের বিরুদ্ধে জেলেদের কাছ থেকে চাঁদাবাজী,অভিযানে জব্দকৃত মাছ আত্নসাত,জব্দকৃত জাল বিক্রি সহ বিভিন্ন অভিযোগ পাওয়া গেছে।
স্থানীয় সুত্রে জানা যায়,কয়েকদিন পরপরই হাকিমুদ্দিন নৌ পুলিশের বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ করে আসছেন জেলেরা”উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে এই অভিযোগ পৌছালে তারা বিভিন্ন সময় নৌ পুলিশের ফাড়ির অনেক সদস্য কে বদলী সহ বিভিন্ন ব্যবস্থা নিয়েছেন এর পরে কয়েকদিন তারা চুপ চাপ থাকলে ও নৌ-পুলিশের এএসআই মাহবুব হাকিমুদ্দিন পুলিশ ফাঁড়ীতে যোগদানের পরেই
আবারো সেই ভয়াবহ কর্মকান্ড পরিচালনা করে আসছেন,নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক জেলে জানান,এএসআই মাহবুব ফাড়িতে যোগদানের পর থেকেই তার চাঁদাবাজীতে অতিষ্ঠ জেলেরা তবে নদীতে মাছের ব্যবসা করায় মিথ্যা মামলায় জেলে যাওয়ার ভয়ে কিছূ বলতে ও পারেন না তারা,সর্বশেষ গত ২১ অক্টোবর শনিবার রাতে বিপুল পরিমাণে মাছ,জাল ও ১ টি নৌকা জব্দ করেন এএসআই মাহবুব,জব্দকৃত মাছ নিজেদের মধ্যে ভাগ ভাটোয়ারা করেন বিলির নামে নাম মাত্র একটি মাদ্রাসার রিসিট সংগ্রহ করে কতিপয় ব্যক্তিকে কিছু মাছ বিতরণ করেন বাকি মাছ গুলো নিজের আয়ত্তে রেখে দেন এবং এলাকার প্রভাবশালী সহ নিজরাই নিয়ে যান।
এদিকে এ বিষয়ে সাংবাদিকরা লেখালেখি শুরু করলে তরিঘরি করে পুরনো কিছু জাল ২২ অক্টোবর রবিবার বিকালে পুড়ান এএসআই মাহবুব সহ তার সাথীরা যদিও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কিংবা আদালতের আদেশ ব্যতীত মাছ বিতরণ
জাল পোড়ানো বা ধ্বংস করা আইনে বহির্ভূত বলে জানান জেলা মৎস্য কর্মকতা।
জনপ্রতিনিধিবৃন্দ ও স্থানীয় জেলেরা বলেন,ফাড়িতে আইসি না থাকায় যে যার মতো কাজ করছে,অবশ্যই জনস্বার্থে নৌ পুলিশের বদনাম এড়াতে এএসআই মাহবুব এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ সহ নতুন আইসি ফাড়িতে পোস্টিং করলে জনগণ উপকৃত হবে।
বোরহানউদ্দিন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রায়হান-উজ্জামান বলেন,নৌ-পুলিশ কোন অভিযানেই আমাদের অবগত করেন না,তিনি জানান মাছ বিতরণ কিংবা জাল পোড়ানো বিষয়ে ও তাকে কিছু জানানো হয় নি, বিষয়টি খুব দুঃখজনক এ বিষয়ে আমরা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করে অচিরেই ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।
ভোলা জেলা মৎস্য বিভাগের কর্মকতা মোঃ আবুল কালাম আজাদ বলেন,জব্দকৃত জাল ধ্বংস বা মাছ যদি তারা বিলি করে অবশ্যই নিবার্হী কর্মকতাকে জানোনো উচিত,তাদের অবগত না করে কোন কিছূ করা আইন বহির্ভূত।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বরিশাল নৌ-পুলিশের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কফিল উদ্দিন বলেন,কোন একজন পুলিশ সদস্যর জন্য পুরো ডিপার্টমেন্ট কলুষিত হবে এটা আমরা চাই না বিষয়টি দুঃখজনক জেলেদের কাছ থেকে চাঁদাবাজীর অভিযোগ বা মাছ আত্নসাতের অভিযোগ প্রমানিত হলে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তিনি জানান,খুব দ্রুতই একজন ইনচার্জ পাঠানো হবে,নদীতে অভিযান যাতে অব্যহত থাকে সে বিষয়ে নজরদারি করা হবে বলে ও জানান পুলিশ সুপার।