এস মিজানুল ইসলাম, বানারীপাড়া (বরিশাল) সংবাদদাতা: মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানে ২৪ অক্টোবর পযর্ন্ত বানারীপাড়ায় মোবাইল কোর্ট
৫ জনকে জেল দিয়েছেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ফাতিমা আজরিন তন্বী। তিনি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন। এখানে নৌ পুলিশের রয়েছে সমন্বয়হীনতা। অসাধু জেলেদের হামলার শিকার হন মেরিন অফিসার প্রতুল জোয়াদ্দার।
উপজেলা মৎস কর্মকর্তা মোঃ নাসির উদ্দিন জানান, অবৈধ ভাবে ইলিশ শিকার করায় এ পযর্ন্ত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা হয়েছে ২৩ টি, অভিযান ৪২টি, জব্দকৃত ৪ হাজার মিটার অবৈধ জাল ধ্বংস করা, ৩০ টি আরৎ, ৪০ বাজার পরিদর্শন করা হয়। উদ্ধারকৃত মাছ এতিমখানায় বিতরণ করা হয়।
ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানে পর্যাপ্ত পুলিশ ফোর্স কম থাকায় এবং পার্শবর্তী উপজেলা স্বরুপকাঠীর নৌ পুলিশ সমন্বয় না করায় অভিযানে বিরুপ প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। মৎস বিভাগের কর্মকর্তা জানান, অসাধু জেলেদের হামলার শিকারহন মেরিন অফিসার প্রতুল জোয়াদ্দার। তিনি গুরুতর আহত হওয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়ছে।
সৈয়দকাঠী ইউপি সদস্য মোঃ জামাল হোসেন, মোঃ সুমন অভিযোগ করেন, নৌ পুলিশ মাছ ধরছে জেলেদের কাছে যায়, দু’একজনের ধরার বাহানা করে নৌকায় উঠে। তারা জাল আটক করছে বলে ধীরে ধীরে জাল টানে। যাতে করে অন্য জেলেরা পালানোর সুযোগ দেয়। মন হয় সন্ধ্যা নদীতে চোর-পুলিশের খেলা চলছে। তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে। বানারীপাড়ায় নৌ পুলিশ নাথাকায় যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।#