• ২৫শে জুন, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ , ১১ই আষাঢ়, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

“পরীক্ষার জন্য চিন্তা করতে হবে না আমাদের”

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত নভেম্বর ২৩, ২০২৩, ১১:০৫ পূর্বাহ্ণ
“পরীক্ষার জন্য চিন্তা করতে হবে না আমাদের”

স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার চরমানিকদাহ গ্রামের তুলি সিকদার। বাবা সঞ্জয় সিকদার একজন দিনমজুর। এবছর এসএসসি পরীক্ষা দিবে তুলি। কিন্তু বাবা দিন মজুর হওয়ায় এসএসসি পরীক্ষার ফরম ফিলাপের টাকা যোগার করতে পারিছিল না তুলি। ফলে পরিবারের আর্থিক অস্বচ্ছলতার কারনে এবছর এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়া অনিশ্চিত হয়ে পরেছিল। তাই বাধ্য হয়েই জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন জানায়।

তার আবেদন পেয়ে প্রয়োজনীয় ফরম ফিলাপের টাকা তুলে দেন জেলা প্রশাসক। ফরম ফিলাপের টাকা পেয়ে খুশি তুলি। দরিদ্র বাবা-মাকে আর চিন্তা করতে হবে না। ভালভাবে লেখাপড়া করে ভাল রেজাল্ট উপহার দিতে চায় তুলি।

শুধু তুলিই নয় এরকম ১৩ দরিদ্র শিক্ষার্থীকে পরীক্ষার ফি হিসাবে আর্থিক সাহায্য দিয়েছেন জেলা প্রশাসক কাজী মাহবুবুল আলম।

আজ বৃহস্পতিবার (২৩ নভেম্বর) দুপুরে জেলা প্রশাসকের কায্যালয়ে দরিদ্র ১৩ শিক্ষার্থীর হাতে বিভিন্ন অংকের অর্থিক সাহায্যের টাকা তুলে দেন জেলা প্রশাসক। এসময় জেলা প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সদর উপজেলার চরমানিকদাহ গ্রামের মুন্নী খানম বলেন, আমার বাবা একজন দিন মজুর। যা আয় করেন তা দিয়ে কোন রকমে পড়ালেখা চালিয়ে নিলেও ফরম ফিলাপের টাকা যোগার করতে পারছিলেন না। জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করায় তিনি ফরম ফিলাপের টাকা দিয়েছে। এতে আমরা খুশি, পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবো।

একই গ্রামের এসএসসি পরীক্ষার্থী বৈশাখী খানম জানায়, পরিবারের আর্থিক অস্বচ্ছলতার কারনে পরীক্ষার ফি-এর টাকা জোগাড় করতে পারছিলাম না। এখন বাবা-মাকে আর চিন্তা করতে হবে না। ভালভাবে লেখা-পড়া করে ভাল রেজাল্ট উপহার দিতে চাই জেলা প্রশাসককে।

জেলা প্রশাসক কাজী মাহবুবুল আলম জানান, অস্বচ্ছল শিক্ষার্থী টাকার অভাবে ফরম ফিলাপের টাকা জোগাড় করতে পারছিলো না। তারা আমার কাছে সাহয্যের জন্য আবেদন করেছিল। তাদের আবেদন যাচাই বাছাই করে এরমধ্যে থেকে ১৩ জনকে ৩৫ হাজার টাকা নগদ প্রদান করা হয়েছে। এতে তারা ভালভাবে লেখাপড়া করে ভাল ফলাফল করতে পারবে। #