স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ : উৎসব মুখর পরিবেশে গোপালগঞ্জে ১ লাখ ৮৬ হাজার জন শিশুকে খাওয়ানো হচ্ছে ভিটামিন “এ” ক্যাপসুল। সকাল ৮ টা থেকে শুরু হয়ে এ ক্যাম্পইন চলবে বিকাল ৪টা পর্যন্ত।
আজ মঙ্গলবার (১২ ডিসেম্বর) জেলা শহরের মিয়াপাড়ার মেরি স্টপ ক্লিনিকে এ কর্মসূচীর উদ্বোধন করেন গোপালগঞ্জের ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ডাক্তার নিপা বেপারী। এসময় সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডা: সাকিবুর রহমান, ডা: দিবকর বিশ্বাস, ডা: সাদ মাহমুদ জয়, সদর উপজেলা রোগ নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা ডা: মোহাম্মদ সাইদুজ্জামান জুয়েল, জেলা, ইপিআই সুপারিন্টেন্ডেন্ট ডা: দীপক রঞ্জন সরকার, গোপালগঞ্জ পৌরসভার জুনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুল হামিদ খান, সেনিটোরি ইন্সপেক্টর কাজী নাসিরউদ্দিন মাহমুদ, টিকাদান সুপার ভাইজার অরবিন্দ গাইন উপস্থিত ছিলেন।
এই কর্মসূচীতে জেলার পাঁচ উপজেলায় ৭টি স্থায়ী, ১ হাজার ৭০৯ টি অস্থায়ী কেন্দ্রে ২১৬ জন তত্ত্ববধায়কের নেতৃত্বে ৩ হাজার ৪৩২ জন স্বেচ্ছাসেবী ৬ থেকে ১১ মাস বয়সের ২৫ হাজার ৭০৭ জন শিশুকে ১ লক্ষ নীল রং এর ক্যাপসুল ও ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সের ১ লাখ ৬০ হাজার ৪২৫ জন শিশুকে ২ লক্ষ লাল রং এর ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষমাত্রা নির্ধারন করা হয়েছে।
ক্যাম্পেইনের উদ্বোধনকালে সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডা: এস এম সাকিবুর রহমান বলেন, ভিটামিন এ শরীরের অত্যন্ত প্রয়োজনীয় অনুপুষ্টি যা শরীরের স্বাভাবিক বৃদ্ধি বজায় রাখতে, চোখের স্বাভাবিক দৃষ্টিশক্তি বজায় রাখতে, শিশুর গর্ভকালীন বৃদ্ধি স্বাভাবিক রাখতে, ত্বকের শুষ্কতা দূর করতে, রক্তস্বল্পতা প্রতিরোধ করতে এবং রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সহয়তা করে। ভিটামিন “এ” এর অভাবে রাতকানা রোগসহ চোখে অনেক ক্ষতিকর প্রভাব রোগ দেখা যায়। এছাড়া ভিটামিন “এ” এর অভাবে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়, ডায়রিয়ার ব্যপ্তিকাল বৃদ্ধিপায়, হামের জটিলতা দেয়া যায়, রক্তস্বল্পতা সহ অন্যান্য রোগ দেখা যায়। তাই ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইনিং এ ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের ভিটামিন এ খাওয়ানো অত্যন্ত জরুরী।
আজকের জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইনে গোপালগঞ্জের ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী শতভাগ শিশুকে অনার জন্য প্রয়োজনীয় সকল পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। #