।
হিজলা প্রতিনিধিঃ বরিশালের হিজলা উপজেলায় ভিশন কেয়ার হাসপাতালের অংশীদারদের দ্বন্ধে সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে নিয়মিত আশা রোগীরা।
জানাযায় উপজেলায় করোনাকালীন সময়ে খুন্না বাজার সংলগ্ন শাহে আলম রিয়াদ জমি ক্রয় করে চিকিৎসা সেবা করার লক্ষে চার তলা বিশিষ্ট ভবন নির্মান করেন।
ওই ভবনে ভিশন কেয়ার হাসপাতাল নামে প্রতিষ্ঠান চালু করে।কিছুদিন পরে শাহেআলম রিয়াদ অর্থ সংকটের কারনে প্রতিষ্ঠান ৩ জনকে ৪৫শতাংশ লিখিতভাবে অংশীদারিত্ব প্রদান করেন।
বছর খানেক পরে প্রতিষ্ঠানে যন্ত্রপাতি ক্রয় নিয়ে অংশীদারের বিরোধ সৃষ্টি হয়।তখন স্থানীয়ভাবে মীমাংশার চেষ্ঠায় ব্যর্থ হয়ে একপর্যায়ে আদালতে গড়ায়।
এ বিষয়ে ভবনের মালিক ও প্রতিষ্ঠানের অংশীদার শাহে আলম রিয়াদ জানায় অংশীদাররা যে টাকা দিয়েছে তা লিখিতভাবে প্রশাসনের কাছে জামা দেওয়া হয়েছে।তিনি আরো বলেন প্রতিষ্ঠানের সাক্ষরিত একটি চেক হারিয়ে গেছে।
এ বিষয়ে থানায় সাধারন ডায়রী করা হয়েছিল।হারিয়ে যাওয়া চেক দিয়ে প্রতিষ্টানের অংশীদার শাহেন শাহ চৌধুরী সামু ১ কোটি ১৫ লক্ষ টাকার চেক জালিয়াতির মামলা করে।৩ জন অংশীদারের অনুপস্তিতিতে ভবনের চার তলার রুম ভাঙ্গার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন জমি ও ভবনের মালিক আমি।তারা শুধু হাসপাতালের অংশীদার।
র্দীঘ ২ বছর যাবৎ ভবনের ভাড়া না দেওয়ায় ৪র্থ তলা মালামাল অপসারন করে মেরামতের কাজ করছি।
অনুপস্তিত থাকা প্রতিষ্ঠানের অংশীদার রফিক সরদার জানায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নিয়ে আদালতে মামলা রয়েছে।সাবেক হিজলা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নির্দেশে রোগী সেবা বঞ্চিত না হয়,তার জন্য হওয়ার ম্যানেজার নিয়োগ সেবা পরিচালনা করা হচ্ছে।
তিনি আরো বলেন ভিশন কেয়ার হাসপাতাল চার জন অংশীদার থাকা সত্তেও আমাদের ৩ জন অনুপস্তিতে থাকার পরে তিনি ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে একক ভাবে চেষ্ঠা করে।
অনুপস্তিত থাকা অংশীদারা ৯৯৯ এ ফোন করে ।তখন হিজলা থানা এস আই আরিফুল ইসলাম ঘটনা স্থানে যায়।এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন ভবনের মালিক শাহে আলম রিয়াদ তার ভবন মেরামতের কাজ করে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।