লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত আমাদের স্বাধীনতা; যার পটভূমি ১৯৫২ এর ভাষা আন্দোলন। এই ভাষার মাসে বরগুনা জেলার বেতাগী উপজেলাধীন ৫ নং বুড়ামজুমদার ইউনিয়নের অন্তর্গত “লীলাবতী পাঠাগার” এর কর্তৃপক্ষ পাঁচটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চিত্রাঙ্কন ও রচনা লিখন প্রতিযোগিতার ও বিজয়ীদেরকে পুরস্কার প্রদানের মধ্য দিয়ে পাঠাগারটির আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করেন। বরগুনা জেলার বেতাগী উপজেলাধীন বুড়ামজুমদার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বলইবুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, জামির উদ্দিন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বলইবুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং জামির উদ্দিন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মোট ২২ জন বিজয়ী শিক্ষার্থীদেরকে ক্রেস্ট, বই এবং শিক্ষা উপকরন পুরস্কৃত করা হয়।
অনুষ্ঠানটির তত্বাবধানে ছিলেন, বলইবুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব মোঃ আনিসুর রহমান, জামির উদ্দিন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব অশোক কুমার রায়, সিনিয়র শিক্ষক মোঃ আব্দুর রাজ্জাক, সিনিয়র শিক্ষক মোঃ নজরুল ইসলাম, বলইবুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব নিতাই চন্দ্র হাওলাদার, বুড়ামজুমদার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব মোঃ মোশারফ হোসেন, জামির উদ্দিন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা শিখা রানী বড়াল এবং অনুষ্ঠানটির সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন, মোঃ ছগির হোসেন, মোঃ মিজানুর রহমান, মোঃ ফোরকান উল্লাহ, মোঃ মোতালেব হোসেন মুসুল্লী, আল মাহমুদ পিয়াস, মোঃ সোহাগ মাহমুদ ফরাজী, মোঃ সাকিল হোসেন ইমন, রাজিব রায়, মোঃ তরিকুল ইসলাম জিসান, মোঃ জসীম সিকদার প্রমুখ।

‘লীলাবতী পাঠাগার’ এর প্রতিষ্ঠাতা বাসুদেব রায় আমাদেরকে জানান, নানামুখী কার্যক্রম নিয়ে আমরা ‘লীলাবতী পাঠাগার’ এর পথচলা শুরু করেছি এবং অত্র অঞ্চলের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সম্মানিত শিক্ষকগন একাত্মতা পোষণ করেছেন এবং তিনি প্রত্যাশা করেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তর, জেলা প্রশাসন ও মাননীয় সংসদ সদস্য সহ অন্যান্য জনপ্রতিনিধিদের বিভিন্ন সহযোগিতায় “লীলাবতী পাঠাগার” এর উত্তরোত্তর উন্নয়ন সাধিত হবে যা অত্র অঞ্চলের পাঠাকদের মেধা, মনন, ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি ধারণ ও লালনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।