মো: ইমন হোসেন, ঢাবি প্রতিনিধি:
আজ রবিবার (১৯ মে ২০২৪) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কবি জসীমউদ্দীন হলে অবৈধভাবে অবস্থানরত কর্মচারীদেরকে হল থেকে স্থানান্তর করতে ও ছাত্ররা তাদের অধিকার ফিরে পেতে উক্ত হলের আড়াইতলা থেকে বিকাল ৫ টার সময় ‘কর্মচারী হটাও,জসীমউদ্দীন হল বাঁচাও’ এ স্লোগানে এক প্রতিবাদী মিছিল বের হয় ।
পরবর্তীতে হলের গেইট ও কর্মচারীদের আবাসনের প্রধান গেইটে এসে সাধারণ শিক্ষার্থীরা জমা হয়। সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রতিবাদী মিছিলের নেতৃত্ব প্রদান করেন উক্ত হলের তৃতীয় বর্ষের সাধারণ শিক্ষার্থী মঈনূল হাসান বিজয়।
উক্ত মিছিলে সাধারণ শিক্ষার্থীদের হাতে বিভিন্ন প্রতিবাদী ব্যানার লক্ষ্য করা যায়- “কর্মচারী সরাও আমাদের বাঁচাও,আমাদের হলের সিট কোথায় প্রসাশন জবাব চাই, ছাত্রদের বৈধ ছিট ফিরিয়ে দাও,কর্মচারীর স্থানান্তর চাই,প্রসাশনের নীরব ভূমিকা মানি না মানবো না।”
সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে ইরতাজুল হক রিয়ান নামের একজন শিক্ষার্থী রিপোর্ট ৭১-কে বলেন, আমরা কত স্বপ্ন নিয়ে এ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পড়তে এসেছি। আমাদের হলে যথেষ্ট আসন থাকা সত্বেও আমরা ৪র্থ ইয়ারের আগে সিট পাই না। আমরা চাই কর্মচারীরা হল থেকে নেমে তাদের নির্দিষ্ট জায়গায় যাক। সর্বোপরি আমরা আমাদের অধিকার ফিরে পেতে চাই।
পরবর্তীতে হল প্রভোস্ট ড. এম শাহীন খান আসলে সাধারণ ছাত্ররা হল প্রভোস্টকে বলেন, স্যার প্রতিবছর হলে স্টুডেন্টদের সংখ্যা বাড়ছে কিন্তু জায়গা বাড়ছে না, আমরা সাধারণ শিক্ষার্থীরা রুমে জায়গা না পেয়ে মসজিদে ঘুমাই। বিশ্ববিদ্যালয়ের এতো গুলো হল কিন্তু কোথাও এমনটা নাই। আমাদের প্রতি এমন অবিচার আমরা মানবো না।
সাধারণ শিক্ষার্থীদের প্রশ্ন উত্তরে প্রভোস্ট বলেন, হল প্রতিষ্ঠার পর থেকে এটা চলে আসছে। তোমরা যা চাও আমার প্রসাশনও তাই চাই। তাছাড়া আমিও তোমাদের দাবির সাথে শতভাগ একমত পোষণ করছি। আমি রুমে রুমে দায়িত্বরত শিক্ষকদের পাঠিয়ে সবাইকে খোঁজ নিয়েছি। এ কাজ বাস্তবায়নের জন্য ৭ দিন সময় নিয়েছেন তিনি এবং এ কাজ বাস্তবায়নের জন্য তিনি সর্বোপরি ছাত্রদের থেকে সহযোগিতা কামনা করেন।
সর্বশেষ ছাত্ররা রিপোর্ট ৭১-কে জানান, অনেক প্রভোস্ট হলে এসেছে-গিয়েছে,সবাই আশ্বাস দিলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি এখন পর্যন্ত। অনেক টাল-বাহনা করে তারিখ পেছানো হয়েছে বারবার। ৭ কার্যদিবসের মধ্যে কর্মচারীদের স্থানান্তর করতেই হবে। এরপরও যদি তারা হলে থাকে তবে হলের গেইটে তালা দেওয়া সহ একশানে যাবেন বলে জানান তারা।