• ২১শে জুন, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ , ৭ই আষাঢ়, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আমরা সব জায়গাতেই সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে দেই-বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর উপ-মহাপরিচালক

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত মে ২৩, ২০২৪, ০৮:২৯ পূর্বাহ্ণ
আমরা সব জায়গাতেই সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে দেই-বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর উপ-মহাপরিচালক

স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ : বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর ঢাকা রেঞ্জের উপ-মহাপরিচালক এ কে এম জিয়াউল আলম বলেনছেন, সারা দেশে হাসপাতাল ও কমিউনিটি ক্লিনিক রয়েছে, তারপরেও আনসার ভিডিপি শুধু আইন শৃংখলা রক্ষার কাজ করে না। এর বাইরেও আমরা সেবামূলক কাজ করে থাকি। আমরা বন্যাদূর্গতের মাঝে ত্রান সরবরাহ করি, কোথাও অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটলে সেখানেও আমরা সহযেগিতা করি। আমরা সব জায়গাতেই সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে দেই। তারই অংশ হিসাবে আমরা মেডিকেল ক্যাম্প করে থাকি।

আজ বৃহস্পতিবার (২৩ মে) গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার রাধাগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদে অনুষ্ঠিত ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের উদ্বোধনীয় অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

উপ-মহাপরিচালক আরো বলেন, শুধু আনসার ভিডিপির সদস্যরা নয় অসহায় ও দু:স্থ এবং প্রান্তিক মানুষের সুবিধার্থে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দিয়ে স্বাস্থ্য সেবা দিয়ে থাকি। এর উদ্দেশ্যে হচ্ছে কোন মানুষ যেন চিকিৎসা সেবার বাইরে না থাকে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিশ্রুতি হিসাবে তারই অংশ হিসাবে আমরা এ মেডিকেল ক্যাস্প করে থাকি। আমাদের নিজস্ব একটি হাসপাতাল আছে। সেখানে আমরা এসব মানুষকে চিকিৎসা সেবা দিতে পরি। এছাড়া আমাদের চিকিৎসকরা অন্যান্য সরকারী হামপাতালে রেফার করলেও তাদের সুবিধা হবে।

বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল এ কে এম আমিনুল হকের দিক নির্দেশনা এ স্বাস্থ্য সেবা দেয়া হয়। এ ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের উদ্বোধন শেষে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর ঢাকা রেঞ্জের উপ-মহাপরিচালক এ কে এম জিয়াউল আলম ঘুরে দেখেন। এ সময় বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর গোপালগঞ্জ জেলা কমান্ড্যান্ট মোঃ ফজলে রাব্বি, ২৩ আনসার ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক মঞ্জুর মোর্শেদ বক্তব্য রাখেন।

এ ক্যাম্পে চিকিৎসাসেবা নিতে ভীড় করেন ওই ইউনিয়নের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর নানা বয়সের রোগীরা। এ ক্যাম্পে ৪ জন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক মেডিসিন, গাইনি, শিশু, চর্মসহ বিভিন্ন রোগের চিকিৎসা সেবা প্রদান করেন। চিকিৎসা সেবা নিয়ে ব্যবস্থাপত্র দেখিয়ে বিনামূল্যে ঔষধ নেন রোগীরা। এসব রোগীদের বিনামূল্যে প্রায় ২৭ প্রকারের ঔষধ দেয়া হয়। #