• ২৬শে জুন, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ , ১২ই আষাঢ়, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ঘূর্ণিঝড় রেমাল: কন্ট্রোল রুমের দায়িত্বে থাকলেও অফিসেই আসেনি প্রকৌশলী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত মে ২৮, ২০২৪, ০৬:০৩ পূর্বাহ্ণ
ঘূর্ণিঝড় রেমাল: কন্ট্রোল রুমের দায়িত্বে থাকলেও অফিসেই আসেনি প্রকৌশলী

মংচিন থান বরগুনা প্রতিনিধি।।
বরগুনার তালতলীতে ঘূর্ণিঝড় রেমালের জরুরি তথ্য সংগ্রহ এবং বিতরণের জন্য কন্ট্রোল রুমের দায়িত্ব থাকলেও তা পালন করেনি উপজেলা প্রকৌশলী । এর ফলে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের কোন তথ্যই পায়নি সাধারণ মানুষ।

জানাগেছে,বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘রিমাল’ উপকূলের বরগুনায় আঘাত হানতে পারে।এ জন্য সরকারি সকল কর্মকর্তা কর্মচারীদের ছুটিও বাতিল করা হয়। সার্বক্ষণিক ঘূর্ণিঝড়ের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ,পূর্বাভাস ও জলোচ্ছ্বাস সংক্রান্ত তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করার জন্য একটি কন্ট্রোল রুম চালু করে উপজেলা প্রশাসন। পর্যায়ক্রমে উপজেলার বিভিন্ন দপ্তর প্রধানকে কন্ট্রোল রুমের দায়িত্ব দেওয়া হয়। দুপুর ২ টা থেকে রাত ১০ টা পর্যন্ত কন্ট্রোল রুমের দায়িত্ব দেওয়া হয় উপজেলা প্রকৌশলী সাখাওয়াত হোসেন ও তার সহকারী হিসাব রক্ষণ মাসুদ সিকদারকে। তবে উপজেলা প্রকৌশলীসহ তার হিসাব সহকারী মাসুদ রবিবার রাত ১০ পর্যন্ত অফিসেই আসেনি। কন্ট্রোল রুমে দেওয়া নাম্বারে একাধিকবার তথ্য জানার জন্য ফোন দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। দুপুর ২ থেকে রাত ১০টা কন্ট্রোল রুমের দায়িত্ব পালন ব্যহত হয়েছে। এতে ঘূর্ণিঝড়ের কোনো তথ্যই পায়নি সাধারণ মানুষ।

এবিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী সাখাওয়াত হোসেনের ফোনে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেনি।

নির্বাহী প্রকৌশলী এস, এম, হুমায়ূন কবীর বলেন, ঘূর্ণিঝড় ‘রেমাল’ এর জন্য সবার ছুটি বাতিল করা হয়েছে। তিনি যদি আজকে স্টেশনে না থাকেন তাহলে তাকে অবশ্যই কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হবে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সিফাত আনোয়ার তুমপা বলেন, ঘূর্ণিঝড়ের কন্ট্রোল রুমের দায়িত্বে দেওয়া হয়েছিলো উপজেলা প্রকৌশলীকে কিন্তু তিনি তার দায়িত্ব পালন না করে আমাকে অবহিত না করে কর্মস্থলে অনুপস্থিত ছিলেন। তিনি আরও বলেন তার দপ্তরের রাজস্ব খাতের অন্যান্য কর্মকর্তাও স্টেশনে ছিলেন না। খোঁজখবর নিয়ে জানতে পেরেছি তিনি ঢাকায় আছেন। সবার ছুটি বাতিল হলেও তাদের এমন কর্মকান্ডে আমরা হতাশ।##