ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ গত ২১ মে ঝালকাঠি উপজেলা পরিষদের নির্বাচনের দিন ঝালকাঠির বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী ঢাকা মহানগর উত্তারের শ্রমিকলীগের সহসভাপতি শামীম আহমেদ কে হত্যার পরিকল্পনা করে তার প্রতিপক্ষ কুচক্রমহল বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তবে ওই দিন সর্বক্ষণ তার সাথে নেতাকর্মীরা থাকায় প্রতিপক্ষের মিশন সফল হয়নি বলে জানাগেছে।হত্যা করে নির্বাচনী সহিংসতা হিসাবে চালিয়ে দেওয়াই ছিলো মুল পরিকল্পনা কিন্তু “রাখে আল্লাহ মারে কে ” এ যাত্রায় বেচে গেলেও হত্যাসহ নানাভাবে তাকে ঘায়েল করা হতে পারে বলে জানান তিনি।
ঢাকা মহানগর উত্তারের সহসভাপতি বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী শামীম আহমেদ বর্তমানে চিকিৎসার জন্য দেশের বাহিরে রয়েছে দেশে এসেই জননেতা আলহাজ্ব আমির হোসেন আমু ভাই কে জানিয়ে সাধারণ ডায়েরিসহ আইগত পদক্ষেপ নিবেন বলে জানান তিনি। ঝালকাঠিবাসীর কাছে দোয়া চেয়ে তিনি আরো বলেন আমাকে দীর্ঘদিন ধরে হত্যার পরিকল্পনা করে আসছে আমার প্রতিপক্ষ চক্র। তাদের এ পরিকল্পনার বিষয়ের যথেষ্ট প্রামান রয়েছে যাহা তিনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানাবে বলেও জানান।
বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী শামীম আহমেদ ক্ষুদে বার্তায় জানান দীর্ঘদিন ধরে হত্যার পরিকল্পনা করে এ চক্রটি তারই ধারাবাহিকতায় নির্বাচনের দিন আমাকে হত্যার পরিকল্পনা করে বিষয়টি নির্বাচনী সহিংসতা বলে চাপিয়ে দেওয়ার ষড়যন্ত্র করে কিন্তু আমার পাশে তিন চারশত নেতাকর্মীরা সর্বক্ষণিক থাকায় তাদের পরিকল্পনা কাজে আসেনি। তবে এ চক্র যে কোন সময়ে আমাকে হত্যা করতে পারে তাই আমি মিডিয়ার মাধ্যমে দেশবাসীকে জানিয়ে রাখলাম। আমি বর্তমানে দেশের বাহিরে থাইল্যান্ডে চিকিৎসা নিচ্ছি দেশে ফিরে আমার অভিবভাক আলহাজ্ব আমির হোসেন আমু এমপি মহোদয়ের হস্তক্ষেপ চাইবো এবং সাধারণ ডায়েরি সহ আইনগত পদক্ষেপ নিবো। তিনি আরো বলেন আমি আমার আমার পরিবার নিয়ে আতংকে আছি যে কোন মুহূর্তে প্রতিপক্ষরা আমাকে হত্যাসহ বড়ো ধরনের ক্ষতি করতে পারে।
উল্লেখ্যঃ শামীম আহমেদ কে হত্যার পরিকল্পনার বিষয়ে জানতে পেরে তার পরিবার আতংকে রয়েছে। বিষয়টি জননেতা আলহাজ্ব আমির হোসেন আমু এমপি মহোদয়ের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তার পরিবার।