স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে ঘুমন্ত স্ত্রী ও সন্তানের গায়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন দেয়ার অভিযোগ উঠেছে নেশাগ্রস্ত স্বামীর বিরুদ্ধে।
এর আগে আজ বৃহস্পতিবার (৬ জুন) গভীর রাত ১টার দিকে মুকসুদপুর উপজেলার গোহালা ইউনিয়নের ডুমুরিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
মুকসুদপুর থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) শীতল চন্দ্র পাল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এ ঘটনায় দগ্ধ হেলেনা আক্তার (৩৬) ও তার ছেলে অন্তরকে (১১) মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের শরীরের ৫০ শতাংশ পুড়ে যাওয়ায় ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিতসক উন্নত চিকিতসার জন্য ঢাকা মেডিকেলের বার্ণ ইউনিটে প্রেরণ করেন।
হেলেনার ভাই ইমরান জানান, আমার বোন হেলেনাকে মোচনা ইউনিয়নের ডুমুরিয়া গ্রামের ওসমান শেখের সাথে ১৪ বছর আগে বিয়ে দেয়া হয়। বিয়ের পর থেকে সে আমার বোনকে বিভিন্ন সময় মারধর করে আসছে। স্বামী নেশাগ্রস্ত হওয়ায় আমার বোন আমাদের বাড়ি গোহালা ইউনিয়নের মনিরকান্দি গ্রামে থাকে। রাতে ছেলেকে নিয়ে ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন হেলেনা। রাত ১টার দিকে হেলেনার স্বামী প্রথমে জানালা দিয়ে তাদের ওপর পেট্রোল ছুড়ে মারেন। এরপর আগুন দিয়ে পালিয়ে যায়। এ সময় তাদের চিতকারে সবাই এগিয়ে যান।
পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে প্রথমে রাজৈর হাসপাতালে এবং সেখান থেকে উন্নত চিকিতসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। শরীরের ৫০ শতাংশ পুড়ে যাওয়ায় ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিতসক উন্নত চিকিতসার জন্য ঢাকা মেডিকেলের বার্ণ ইউনিটে প্রেরণ করেন।
মুকসুদপুর থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) শীতল চন্দ্র পাল জানান, স্বামীর দেওয়া আগুনে দগ্ধ হেলেনা ও তার সন্তানকে ঢাকা মেডিকেলের বার্ণ ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে। এই ঘটনায় মুকসুদপুর থানায় অভিযোগ দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। অভিযোগের প্রেক্ষিতে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তাদের মধ্যে হেলেনার মুখমন্ডলসহ শরীরের বিভিন্ন জায়গা দগ্ধ হয়েছে। আর তার ছেলের হাত ও পা-সহ শরীরের বিভিন্ন জায়গা দগ্ধ হয়েছে। #