• ২৬শে জুন, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ , ১২ই আষাঢ়, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

উপজেলা পরিষদ নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় যুবক নিহত গোপালগঞ্জে সদর উপজেলা পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যানকে জেল হাজতে প্রেরন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত জুন ৩০, ২০২৪, ১২:৪৩ অপরাহ্ণ
উপজেলা পরিষদ নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় যুবক নিহত  গোপালগঞ্জে সদর উপজেলা পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যানকে জেল হাজতে প্রেরন

স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় গুলিবিদ্ধ হয়ে যুবক নিহতের ঘটনায় সদর উপজেলা চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান ভূঁইয়া লুটুলকে জেল হাজতে পাঠিয়েছে গোপালগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালত।

আজ রোববার (৩০ জুন) গোপালগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিজ্ঞ বিচারক মোঃ কামরুল হাসান এ আদেশ দেন। আদেশের পর উপজেলা চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান ভূঁইয়া লুটুলকে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

গোপালগঞ্জ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আনিচুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ওসি মোহাম্মদ আনিচুর রহমান জানান, আজ রোববার দুপুরে গোপালগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিজ্ঞ বিচারক মোঃ কামরুল হাসানের আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করেন গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান ভূঁইয়া লুটুল। কিন্তু বিজ্ঞ আদালত জামিন না মঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দশ দেন।

এর আগে এ হত্যা মামলায় তিনি হাইকোর্ট থেকে জামিন নিয়েছিলেন। এসময় আদালত তাকে নিম্ন আদালত থেকে স্থায়ী জামিন নিয়ার নির্দেশ দেয়ায় তিনি গোপালগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করেছিলেন।

প্রসঙ্গত, গত ৮ মে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এরপর গত ১৪ মে রাতে সদর উপজেলার চন্দ্রদিঘলীয়া বাসষ্ট্যান্ড এলাকায় পরাজিত চেয়ারম্যান প্রার্থী বি এম লিয়াকত আলীর সমর্থক ও নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান ভূঁইয়া লুটুলের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে বিজয়ী চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান ভূঁইয়া লুটুলের সমর্থকরা গুলিবর্ষণ করলে গুলিবিদ্ধ পরাজিত চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থক ওসিকুর ভূঁইয়া হয়ে নিহত হয়।

এ ঘটনায় ১৬ মে রাতে নিহতের বোন পারুল বেগম বাদী হয়ে নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান ভূঁইয়া লুটুলকে প্রধান আসামী করে ২৩ জনের নাম উল্লেখ করে ও আরো অজ্ঞাত ৫০ জনকে আসামী করে সদর থানায় মামলা দায়ের করা হয়। এ মামলায় চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান ভূঁইয়া লুটুলসহ ৫জন জেল হাজতে রয়েছে। বাকী আসামিরা জামিনে রয়েছে। #