স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ : ভাঙ্গা থেকে বেনাপোল পযর্ন্ত এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ নিয়ে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের নবনিযুক্ত সচিব এ বি এম আমিন উল্লাহ নুরী বলেছেন, এক্সপ্রেসওয়ে বাস্তবানের কাজ শুরু করা হয়েছে। ইতিমধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রকল্প অনুমোদন করেছেন, ভূমি অধিগ্রহণের কাজ শুরু করা হয়েছে। প্রকল্প প্রণয়ন করা হয়েছে, প্রণয়নের কাজও শেষ করা হয়েছে। এটি করতে গেলে আমাদের দেশীয় ও বৈদেশিক অর্থায়ণ প্রয়োজন, সেজন্য আমরা যোগাযোগ শুরু করেছি।
আজ সোমবার (০১ জুলাই) দুপুরে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, ভূমি অধিগ্রহনের কাজ শেষ হলে খুব দ্রুত এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ কাজ শুরু করা হবে। ভূমি অধিগ্রহণ করতে একটু সময় লাগে, জনগণ যেন আমাদের সহযোগীতা করে। অনেকে জমি ছাড়তে চায় না, মালিকানা নিয়ে সমস্যা থাকে, স্বচ্ছভাবেই ভূমি অধিগ্রহণ করা হবে। এ সড়কটি ভাংগা থেকে শুরু হয়ে বেনাপোল পযর্ন্ত যাবে।
এরআগে, টুঙ্গিপাড়ায় পৌঁছে বঙ্গবন্ধুর সমাধি সৌধ বেদিতে পুথকভাবে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের নবনিযুক্ত সচিব এ বি এম আমিন উল্লাহ নুরী, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্পোরেশনের (বিআরটিসি) চেয়ারম্যান তাজুল ইসলাম, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) চেয়ারম্যান গৌতম চন্দ্র পাল এবং সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী শোয়ের আহম্মেদ শ্রদ্ধা জানান। পরে বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের শহীদ সদস্যদের রুহের মাগফোত কামনা করে ফাতেহা পাঠ ও বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন।
অপরদিকে, একই সময়ে টুঙ্গিপাড়ায় পৌঁছে বঙ্গবন্ধুর সমাধি সৌধ বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে গভীর শ্রদ্ধা জানান স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের নবযোগদানকৃত সচিব আবু হেনা মোরশেদ জামান। পরে বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের শহীদ সদস্যদের রুহের মাগফোত কামনা করে ফাতেহা পাঠ ও বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন। শ্রদ্ধা নিবেদস শেষে বঙ্গবন্ধু সমাধি সৌধের প্রশাসনিক ভবনে রক্ষিত পরিদর্শন বইতে মন্তব্য লিখে স্বাক্ষর করেন।
এসময় গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মাহবুব আলী খান, টুঙ্গিপাড়া উপজেলা চেয়ারম্যান বাবুল শেখ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মঈনুল হক, পৌর মেয়র শেখ তোজাম্মেল হক টুটুল, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. আলি আখতার হোসেন, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী তুষার মোহন সাধু খাঁ, স্থানীয় সরকার বিভাগের মহাপরিচালক ডাঃ মোঃ সারোয়ার বারী, যুগ্মসচিব জনাব মোহাম্মদ তানভীর আজম ছিদ্দিকী, গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মাহবুব আলী খান, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক মোঃ আজহারুল ইসলাম, এলজিইডি গোপালগঞ্জ জেলার নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ এহসানুল হক, ডিপিএইচই’র গোপালগঞ্জ জেলার নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ ফয়েজ আহমেদসহ বিআরটিসি ও বিআরটিএ’র ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। #