• ২১শে জুন, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ , ৭ই আষাঢ়, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

“কোটা পুনর্বহালের প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে যেতে বাঁধা ও হল গেটে তালা”

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত জুলাই ৪, ২০২৪, ০৭:৩৪ পূর্বাহ্ণ

ঢাবি প্রতিনিধি:
আজ বৃহস্পতিবার, ৪ জুলাই কোটা পুনর্বহালের প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে যেতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে।

আজ সকাল ১১টার দিকে  বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টারদা সূর্য সেন হল, কবি জসীম উদ্‌দীন হল ও অমর একুশে হলসহ আরও বেশ কয়েকটি হলে শিক্ষার্থীরা যেন আন্দোলনে না যেতে পারেন, সেজন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক হলে পাহারা বসিয়েছে এবং হলগেটে তালা (সূর্যসেন হল) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হলের ছাত্রলীগের নেতা ও কর্মীরা।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা সাংবাদিকদের বলেন,সরকারি চাকরিতে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির মুক্তিযোদ্ধা কোটা পদ্ধতি বাতিলের সিদ্ধান্ত অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের রায়ের শুনানি না হওয়ায় আন্দোলনের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন তারা। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের হল থেকে বের হতে গিয়ে দেখেন, হলের গেটে তালা দেওয়া। গেটের সামনে একাধিক মোটরসাইকেল নিয়ে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা অবস্থান করছেন।

ঢাবি শিক্ষার্থী ইয়ামিন মোল্লা তার টাইম টালনে লিখেছেন, ১৮ সালের আন্দোলনে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় ও হলের বড় বড় পদধারী অনেক ভাইয়েরা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে এই আন্দোলনে সহযোগিতা করেছেন। আবার অনেকে সরাসরি নৃশংস হামলায় অংশ নেন সেই ভাইয়েরা কিন্তু এখন কালের বিবর্তনে হারিয়ে গেছেন।। যৌক্তিক দাবিতে ব্যক্তিগত অবস্থান থেকে  শিক্ষার্থীদের পাশে থাকুন। না পারলে চুপ থাকুন। প্রতিপক্ষ হইয়েন না। কারণ এই কোটার ভিকটিম কিন্তু আপনিও। আপনার ভাই বোন। ভবিষ্যতে আপনার ছেলে মেয়ে নাতি পুতি।
রাকিবুল ইসলাম নামে এক শিক্ষার্থী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে লিখেছেন, কোটা বিরোধী আন্দোলনে যেন শিক্ষার্থীরা না যেতে পারেন, সেজন্য হল গেটে তালা মারা হয়েছে।অমর একুশে হলের এক শিক্ষার্থী জানান, কোটাবিরোধী আন্দোলনে না যেতে হল শাখা ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে একাধিক নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

অপরদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়  ছাত্রলীগ জানিয়েছে, এটি একটি রাজনৈতিক আন্দোলন।  একটি গোষ্ঠী এই আন্দলোনের মধ্যে দিয়ে প্রায় ৫০০ কোটি টাকার ফান্ড কালেকশন করেছে ও সেটা তারা সরকার পতনের জন্য কাজ করতে ব্যয় করছেন।‘‘তোমরা দেখেছ যে ২০১৮ সালে কোটা আন্দোলনে যারা লিড দিয়েছিল তারা কেউ বিসিএস পরীক্ষাসহ কোন পরীক্ষা দেয়নি। তারা শুধু রাজনৈতিক একটি পরিচয় তৈরি করেছে। যেটাকে পুজি করে তারা ব্যাবসা (রাজনৈতিক ব্যবসা) করছে এখন। তোমরা আমাদের নেত্রীর (শেখ হাসিনা) উপর ভরসা রাখ। তিনি অবশ্যই এটার একটি সমাধান দেবেন।’’