আহাদ তালুকদার আগৈলঝাড়া বরিশাল
বরিশাল জেলার আগৈলঝাড়া উপজেলার রাজিহার ইউনিয়ন ৩ নং ওয়ার্ড চেংঙ্গুটিয়া গ্রামের দশাই হাওলাদারের বাড়ির প্রয়াত মোঃ হোসেন হাওলাদার এর ছেলে দিনমজুর মোঃ রিপন হাওলাদার তারঁ মা, স্ত্রী এবং তিন সন্তান নিয়ে খাদ্যাভাবসহ একটি জড়াজীর্ণ ঘরে অত্যন্ত মানবেতর জীবনযাপন করছেন।
শারীরিক অসুস্থতার কারণে গত বছর থেকে ঠিকভাবে কাজ করতে পারেন না। সমাজের বৃত্তবানদের সহযোগিতায় এবং নিজের উপার্জনের একমাত্র সম্বল ভ্যান বিক্রি করে চিকিৎসার খরচ মিটিয়েছেন। তিনি সরকারি বেসরকারি কিছু সহযোগিতা পেয়ে থাকেন যা তাঁর পরিবারের জন্য অপ্রতুল।
বর্তমানে শারীরিকভাবে কিছুটা সুস্থ হলেও উপার্জনের হাতিয়ার ভ্যানটি না থাকায় সে এখন দিনমজুরি করছেন। কিন্তু বর্ষার দিনে ঠিকভাবে কাজ পাচ্ছেন না। পরিবারের ৬ সদস্যের ভরণ পোষণ নিজের এবং মায়ের ওষুধ খরচসহ ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে পাগলপ্রায় তিনি।
খোঁজ নিয়ে জানাগেলো, রিপন হাওলদারের নিজস্ব কোন জমি নেই যে জরাজীর্ণ ঘরে বসবাস করছেন তাও অপরের জায়গায়। একটু বৃষ্টি হলে ঘরের ভেতরের বিছানাপত্র সব ভিজে একাকার হয়ে যায়।
রিপন হাওলদারের মায়ের সঙ্গে কথা হলে তিনি কান্না জড়িত কণ্ঠে বলেন, আমার ছেলের মাথার উপরে একটি ছাউনি দেখে যদি মরতে পারতাম তাহলে আমি মরেও শান্তি পেতাম।
হতদরিদ্র এই পরিবারটির করুণ বাস্তবতা তুলে ধরে নাগরিক সাংবাদিক সৈয়দ মাজারুল ইসলাম রুবেল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট দিলে গতকাল আগৈলঝাড়া উপজেলা প্রশাসন ও ব্যক্তি পর্যায় থেকে থেকে কিছু জরুরী খাদ্য সহায়তা মিললেও উপার্জনের ব্যবস্থা বা ঘরের ব্যাপারে কোন সাড়া পাওয়া যায়নি।
এঅবস্থায় রিপন হাওলাদার উপার্জনের একটা ব্যবস্থা এবং সেইসঙ্গে মাথা গোঁজার ঠাঁই করে দেবার জন্য সরকারি বেসরকারি বা সমাজের বিত্তবানদের কাছে সহযোগিতার অনুরোধ জানিয়েছেন।