কলাপাড়া উপজেলা (পটুয়াখালী)প্রতিনিধি //-
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের সঙ্গে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের সংঘর্ষে আন্দোলনরত ছাত্রীদেরকে লাঠিহাতে আক্রমন করছে এক ছাত্রলীগ কর্মী। ভার্সিটি থেকে বলছি, এমন একটি ফেসবুক পেজ থেকে পোস্ট করলে মুহূর্তে ছবি ভাইরাল হলে সমালোচনার ঝড় উঠে ওই ছাত্রলীগ নেতার নিজ এলাকা পটুয়াখালীর কুয়াকাটায়।
জানা যায়, ওই ছাত্রলীগ নেতা পৌর ছাত্রলীগের একজন সক্রিয় কর্মী নাম মো. রুবেল খান। তিনি কুয়াকাটা পৌরসভার ৪ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা ও কুয়াকাটা পৌর আওয়ামীলীগের সদস্য মো. নুরু খানের ছোট ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন কুয়াকাটা পৌরসভার ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত। এছাড়াও এই পরিবারের বড় ছেলে মোঃ সোহাগ খান,দীর্ঘদিন যাবত শিক্ষাথীদের ন্যায্য আদায় এদের স্বার্থে বিভিন্ন আন্দোলন ও সমাবেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছে।সেই পরিবারে ছোট ছেলে রুবেল শিক্ষার্থীদের উপর যে হামলা করেছে এই ছবি ভাইরালের পর থেকে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেছে কলাপাড়া উপজেলার শিক্ষার্থীরা।
সোমবার (১৫ জুলাই) বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে চলা সংঘর্ষের পরেই এমন ছবি ভাইরাল হয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। তার ছবি ভাইরালের পরপরই নিজ এলাকার সাধারণ মানুষ ও সাবেক ছাত্রলীগ কর্মীরাও তার এই কাজের নিন্দা জানিয়েছেন।
সোশ্যাল মিডিয়ায় বিভিন্ন ব্যক্তি এই ছবিটা পোস্ট করে নিন্দা জানিয়ে, অনেকে কমেন্টে এসে বিচারের দাবিও করছেন।স্থানীয়দের কাছ থেকে জানা যায়,এলাকায় ছাত্রলীগের ব্যানার গায়ে লাগিয়ে পুরো দাপিয়ে বেড়াচ্ছিলো রুবেল,লেখাপড়া তেমন না করলেও তবে ছাত্রলীগের ব্যানার ছিল তার মূল হাতিয়ার।
কুয়াকাটা পৌর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মো. মজিবুর রহমান বলেন, রুবেল কুয়াকাটা ছাত্রলীগ কর্মী তবে পৌর ছাত্রলীগের সদস্য নন। আমরা আন্দোলনকে আন্দোলন দিয়ে মোকাবেলা করবো কিন্তু তার এইরকম কাজ ছাত্রলীগ প্রশ্রয় দেয় না। আমি তার এই কাজের নিন্দা জানাই।
এবিষয়ে কথা বলতে ওই ছাত্রলীগকর্মী রুবেলকে ফোন করলে রিসিভ করেননি,এছাড়াও তার বড় ভাই সোহাগ খানের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে, ফোন দিলে রিসিভ করেননি।
#